🏠 হোম 🚌 বাস টিকিট 🛒 শপ 🎓 এডমিশন 🏞 ট্যুর
  • 🚗 গাড়ি রিজার্ভ
  • 🏨 হোটেল
  • 📲 অ্যাপ ইনস্টল করুন

    মুক্তিযুদ্ধ

    শেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত তথ্য ও সেবা

    মুক্তিযুদ্ধ

    ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শেরপুর জেলার অবদান, শহীদদের তালিকা, বধ্যভূমি ও স্মৃতিসৌধের ইতিহাস। নকলা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতি, শ্রীবরদী ও সদরের মুক্তিযুদ্ধের সত্য ঘটনা।

    রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে নির্মিত স্মৃতিসৌধে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও হত্যার ইতিহাস

    লেখকঃ ক্যাপ্টেন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রথম প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট: ৬ আগস্ট, ২০২৬ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১। বিজয়ের দুইদিন আগে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে রায়ের বাজারে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। মুনির চৌধুরী, শহীদুল্লা কায়সার সহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে দিনটি পালিত হয়। এটি মানবতার চরম লঙ্ঘন ও

    ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও হত্যার ইতিহাস বিস্তারিত পড়ুন »

    এআই নির্মিত ১৯৭১ সালে নকশী বিওপি যুদ্ধের প্রতীকী চিত্র

    নকশী যুদ্ধ: গারো পাহাড়ের পাদদেশে ১৯৭১ এর রক্তক্ষয়ী ইতিহাস

    প্রথম প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট: ৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯৭১ সালের ৩ আগস্ট গারো পাহাড়ের পাদদেশে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর নকশী বিওপিতে সংঘটিত নকশী যুদ্ধ শেরপুরের মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবময় ও বেদনাদায়ক অধ্যায়। কিভাবে ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানি ঘাঁটির বিরুদ্ধে লড়ে ২৬ জন শহীদ হলেন তা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও বইপুস্তকের তথ্য অনুসারে সাজানো হয়েছে এই আর্টিকেল। নকশী কী এবং

    নকশী যুদ্ধ: গারো পাহাড়ের পাদদেশে ১৯৭১ এর রক্তক্ষয়ী ইতিহাস বিস্তারিত পড়ুন »

    সূর্যদী গণহত্যার প্রেক্ষাপট

    সূর্যদী গণহত্যা ১৯৭১: ২৪ নভেম্বর শেরপুরের ৪৯ শহীদের ইতিহাস

    লেখক: ক্যাপ্টেন মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রথম প্রকাশ: ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট: ২ আগস্ট, ২০২৬ সূর্যদী গণহত্যা সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বর, বুধবার, স্বাধীনতার মাত্র ২২ দিন আগে। শেরপুর সদর উপজেলার সূর্যদী গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা (আফসার আলী সহ) এবং ৪৬ জন নিরীহ গ্রামবাসীসহ মোট ৪৯ জনকে হত্যা করে

    সূর্যদী গণহত্যা ১৯৭১: ২৪ নভেম্বর শেরপুরের ৪৯ শহীদের ইতিহাস বিস্তারিত পড়ুন »

    ডালু নাকুগাঁও গণহত্যা

    ডালু নাকুগাঁও গণহত্যাঃ একটি বিস্মৃত রণাঙ্গন

    ডালু নাকুগাঁও গণহত্যাঃ একটি বিস্মৃত রণাঙ্গন ১৭ ই এপ্রিল ১৯৭১। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (মুজিব নগর) অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক অভ্যুদয় ঘটে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত হাজার মুক্তিকামী জনতাকে স্বাধীনতা সংগ্রমের শপথবাক্য পাঠ করান মেজর খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) এবং ঠিক পরক্ষণেই ” জয় বাংলা… “তোমার নেতা আমার নেতা –

    ডালু নাকুগাঁও গণহত্যাঃ একটি বিস্মৃত রণাঙ্গন বিস্তারিত পড়ুন »

    ৭১ এর গল্প

    ৭১ এর গল্প বলা

    ৭১ এর গল্প বলা প্রকৃতির যথা নিয়মে বছর ঘুরে ডিসেম্বর আসলেই স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু বলতে ইচ্ছে করে। ৭১এর দুঃসহ স্মৃতিগুলো মাথায় কিলবিল করে। তাছাড়া সেইসব সোনালী দিনগুলোর কথা আজকের প্রজন্মকে জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্বও বটে। আজকের গল্পের শুরুতেই শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে,

    ৭১ এর গল্প বলা বিস্তারিত পড়ুন »

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা

    আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা

    আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা: আমি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলছি। মুক্তিযুদ্ধই বাঙালির ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তবে এ যুদ্ধ হঠাৎ করে কারো আহ্বানে শুরু হয় নাই। এর জন্য আমাদের দীর্ঘ ২৪ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে। এ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে

    আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা বিস্তারিত পড়ুন »

    মেঘালয়ে ফিরে দেখা ৭১

    মেঘালয়ে ফিরে দেখা ৭১

    মেঘালয়ে ফিরে দেখা ৭১ শেরপুরের বীর মুুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডারর্স ফোরাম শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আখতারুজ্জামান একদিন আমাকে বলেন, রফিক তুমি তো প্রায়ই নাকুগাঁও হয়ে ভারতের তুরা যাও। আমাকে একদিন নিয়ে যাও। কবে মৃত্যু হয় ঠিক নেই, তাই শেষ বারের মতো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং সেন্টার, পুরাকাশিয়ার ক্যাম্পসহ একাত্তরের স্মৃতিময় স্থানগুলো

    মেঘালয়ে ফিরে দেখা ৭১ বিস্তারিত পড়ুন »

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামিলীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা পেলে আমাদের মনে আশা জাগে, হয়তো ২৪ বছরের গোলামীর অবসান হতে চলেছে। ছয় দফার ভিত্তিতে দেশ চলবে, আমরা স্বায়ত্তশাসন পাবো। চারদিকে জয় জয়কার। “জয়বাংলা” ধ্বনিতে মুখরিত সারা বাংলা। কিন্তু আশাহত হতে খুব বেশি সময় নেই নি। বছরের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৭১ সালে জানুয়ারিতেই আমরা

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস বিস্তারিত পড়ুন »

    সোহাগপুরের বিধবা নারীরা

    সোহাগপুর বিধবা পল্লীর বীরাঙ্গনাদের কথা

    ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে সাথেই হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালী জাতি একযোগে ঝাঁপিয়ে পরে। পাক হানাদার বাহিনী “অপারেশন সার্চ লাইট” এর মাধ্যমে বাঙালী জাতিকে নিঃশেষ করে দেয়ার জন্য পৈশাচিক গণহত্যা শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৬ এপ্রিল গুলি করতে করতে হানাদার বাহিনী শেরপুরে প্রবেশ করে। সেদিন নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে অনেক নিরিহ

    সোহাগপুর বিধবা পল্লীর বীরাঙ্গনাদের কথা বিস্তারিত পড়ুন »