🏠 হোম 🚌 বাস টিকিট 🛒 শপ 🎓 এডমিশন 🏞 ট্যুর
  • 🚗 গাড়ি রিজার্ভ
  • 🏨 হোটেল
  • 📲 অ্যাপ ইনস্টল করুন

    মুক্তিযুদ্ধ

    শেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত তথ্য ও সেবা

    মুক্তিযুদ্ধ

    ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শেরপুর জেলার অবদান, শহীদদের তালিকা, বধ্যভূমি ও স্মৃতিসৌধের ইতিহাস। নকলা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতি, শ্রীবরদী ও সদরের মুক্তিযুদ্ধের সত্য ঘটনা।

    জগৎপুর হত্যাকান্ড

    জগৎপুর একটি সুবিধাবঞ্চিত অনুন্নত এলাকার নাম যেখানে বিদুৎ পৌঁছেনি, রাস্তার উন্নতি হয়নি, নেই তেমন শিক্ষার আলো। শেরপুর জেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর এবং ঝিনাইগাতী উপজেলা থেকে ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত জগৎপুর গ্রামটি, তৎকালীন সময়ে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম ছিলো। সারাদেশের ন্যায় শেরপুরেও শত্রুর আক্রমণ চলে অতর্কিত ভাবে। একদিন সকাল ১০ টার দিকে হানাদার বাহিনী ও

    জগৎপুর হত্যাকান্ড বিস্তারিত পড়ুন »

    নাকুগাঁ ও ডালু হত্যাকান্ড

    দেশের মাটিতে চলছে পাকবাহিনীর অত্যাচার, এ অত্যাচার থেকে নারী এবং শিশুরাও বাদ পরেনি। মানুষ অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শরনার্থী হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভরতের শরনার্থী ক্যাম্প চলে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, মধুপুর, মুক্তাগাছা, পিয়ারপুর, নান্দিনাসহ এ অঞ্চলের মানুষ গুলো নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য শেরপুরের নালিতাবাড়ির নাকুগাঁও ভোগাই নদী হয়ে ভারতের ডালুতে প্রবেশ করতো, কারণ নালিতাবাড়ি সদরে এখনো পাকবাহিনী

    নাকুগাঁ ও ডালু হত্যাকান্ড বিস্তারিত পড়ুন »

    শেরপুর নালিতাবাড়ি সড়কে সেতু ধ্বংস

    ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের আনাচকানাচে প্রবেশ করে ফেললো তাদের পা চা’টা গোলামদের সাহায্যে, ঠিক তখন শেরপুরও বাদ যায়নি। শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ি রাস্তায় বেশ কয়েকটি সেতু ছিলো, হানাদার বাহিনী যেন শেরপুরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হকের নেতৃত্বে একটি কোম্পানি গঠন করা হয় এবং নালিতাবাড়ি ও শেরপুরের মধ্যবর্তী

    শেরপুর নালিতাবাড়ি সড়কে সেতু ধ্বংস বিস্তারিত পড়ুন »

    মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ

    মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ ২৫ মার্চ কালো রাতে ঢাকায় নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটায় পাকিস্তানি নর গোষ্ঠী, তারপর ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে আক্রমন শুরু করে। তার প্রতিরোধে বাঙ্গালিরা যুদ্ধ শুরু করতে বাধ্য হয়। পাকিস্তানি বাহিনী প্রতিটি জেলা-উপজেলায় আক্রমন চালাতে শুরু করে। বাংলাদেশের ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক, নারীপুরুষ সর্বস্তরের মানুষ পাক বাহিনীর আক্রমণে না পেরে উঠে বাধ্য হয়ে শরনার্থী হিসেবে

    মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ বিস্তারিত পড়ুন »

    মুক্তিযুদ্ধে নালিতাবাড়ি

    মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর

    মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর মাতৃভূমিকে শত্রু মুক্ত করার জন্য বাংলাদেশের সমস্ত যুদ্ধাঞ্চলকে ১১ টি সেক্টর বিভক্ত করা হয়। শেরপুর ছিল ১১ নং সেক্টরের অধীনে। এই সেক্টর গঠিত হয় কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল নিয়ে। মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের প্রথম অধিনায়ক মেজর জিয়াউর

    মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর বিস্তারিত পড়ুন »

    ক‍্যাপ্টন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম

    বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে দেখেছি।

      আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮ তম জন্ম দিন। ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানের পর থেকেই তাঁকে দেখার খুব সাধ ছিল। অসাধাররণ বক্তৃতা সরাসরি শোনার ইচ্ছেটাও প্রবল ছিল। ৬৯ সালের মার্চ মাসে ইয়াহিয়া খান সামরিক আইন জারি করলে সব সভা সমাবেশ বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৭০ সলে সাধারণ নির্বাচনের সময়

    বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে দেখেছি। বিস্তারিত পড়ুন »

    ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস

    ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস

    ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস ঐতিহাসিক ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই শেরপুর শত্রু মুক্ত হয়। এর আগে ০৪ ডিসেম্বর কামালপুর ও আহমদ নগর পাক হানাদার বাহিনীর পতন ঘটে। তখনই বুঝতে পারছিলাম শেরপুর শত্রু মুক্ত হওয়া সময়ের ব‍্যাপার মাত্র। ০৬ তারিখ সকল পাক বাহিনী তাদের তল্পি তল্পা গুটিয়ে ব্রহ্মপুত্র পেরিয়ে জামালপুর পিটিআই ও

    ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস বিস্তারিত পড়ুন »