Our Sherpur

সূর্যদী গণহত্যা ১৯৭১: ২৪ নভেম্বর শেরপুরের ৪৯ শহীদের ইতিহাস

সূর্যদী গণহত্যার প্রেক্ষাপট

লেখক: ক্যাপ্টেন মোঃ রফিকুল ইসলাম

প্রথম প্রকাশ: ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট: ২ আগস্ট, ২০২৬

সূর্যদী গণহত্যা সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বর, বুধবার, স্বাধীনতার মাত্র ২২ দিন আগে। শেরপুর সদর উপজেলার সূর্যদী গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা (আফসার আলী সহ) এবং ৪৬ জন নিরীহ গ্রামবাসীসহ মোট ৪৯ জনকে হত্যা করে এবং প্রায় ২০০ বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়।

সূর্যদী গণহত্যা কী?

পৃথিবীর ইতিহাসে গণহত্যা সবচেয়ে নিকৃষ্ট অপরাধ। বিশ্ব সভ্যতার অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের ইতিহাসকে পাকিস্তানিদের নিকৃষ্ট হত্যাকাণ্ড হার মানায়। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত রেজুলেশন ২৬০ (৩) এর অধীনে “গণহত্যা এমন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা বিশ্বময় প্রতিরোধে সকল রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ। এই গণহত্যা বলতে বোঝায় এমন কর্মকাণ্ড যার মাধ্যমে একটি জাতি, ধর্মীয় সম্প্রদায় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস নেয়া হয়েছে।”

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের শাসন ও শোষণ করেছে। বাঙালিদের দমিয়ে রাখার জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের এদেশীয় এজেন্ট- রাজাকার, আলবদর এবং আলশামস শুরু করে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা গণহত্যা চালায় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার সহ তাদের সহায়তাকারীদের উপর। ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে হত্যাকাণ্ড থেকে শেরপুরও বাদ পড়েনি। সারা দেশের মতো শেরপুরেও ছড়িয়ে রয়েছে পাকবাহিনীর নির্মমতার চিহ্ন, অসংখ্য গণকবর ও বধ্যভূমি। তারই একটি হলো সূর্যদী গণহত্যা।

সূর্যদী গণহত্যার প্রেক্ষাপট কী ছিল?

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর থেকে সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দালালদের অত্যাচার চলছিল। হানাদারদের অত্যাচার থেকে মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে বাংলার দামাল সন্তানেরা নিজের জীবন বাজি রেখে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে। তরুণরা বাড়িতে ফিরত না শত্রুর ভয়ে।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাস। দেশ স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে। পাকবাহিনীরা পথ খুঁজছে কীভাবে মুক্তিবাহিনীদের প্রতিহত করা যায়। আমরা (লেখক ক্যাপ্টেন মোঃ রফিকুল ইসলাম) মুক্ত এলাকায় ছিলাম বলে আমাদের চর এলাকায় শত শত মুক্তিযোদ্ধা আশ্রয় নিয়েছিল। আমরা তাদের খাবারের ব্যবস্থা করতাম, ঘরে ঘরে ভাগ করে খাওয়াতাম। আমাদের নদীতে জেলেরা প্রচুর মাছ ধরতো, তারাও মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের মাছ সরবরাহ করতো।

তীরছা বাড়ির মালিক মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেন, এ খবর চলে যায় সদর থানা পাকিস্তানি হানাদার ক্যাম্পে। এ খবরে ক্রুদ্ধ হয়ে অর্ধশতাধিক হানাদার ও তাদের দোসররা মিলে গ্রামটি ঘেরাও করার পরিকল্পনা করে।

সূর্যদী গণহত্যা বিষয়ক মঞ্চায়ন নাটক সূর্যদীর গল্প

২৪ নভেম্বর ১৯৭১: সূর্যদী গণহত্যার ভয়াল দিন

দিনটি ছিল ২৪ নভেম্বর ১৯৭১, বুধবার। তার আগের দিন মুক্তিবাহিনীর ৬ সদস্য মা-বাবাকে দেখতে বাড়িতে আসে কমান্ডারের নির্দেশে এবং রাত্রি যাপন করে নিজ নিজ বাসস্থানে। ছয়জনের নামঃ ১. ছোরহাব আলী, ২. আ. খালেক, ৩. মন্তাজ উদ্দিন, ৪. হাবিবুর রহমান, ৫. ফজলুল হক এবং ৬. আবুল হাসেম।

২৪ নভেম্বর সকাল ৮টার দিকে আমরা (লেখক) কজন জেলেদের কাছ থেকে মাছ আনার জন্য মৃগী নদীতে গেছি। এমন সময় হঠাৎ গুলির আওয়াজ, এলএমজির বার্স্ট ফায়ার। ভীমগঞ্জ থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণে মৃগী নদীর ওপারে আমাদের বাড়ি। প্রথমে ধারণা করলাম ভীমগঞ্জ ঠাকুরবাড়ি আক্রান্ত হয়েছে। তখন আমাদের চর এলাকায় বিশেষকরে চর জংগলদী, বেতমারী, ফটিয়ামারী, চরখারচর ও প্রত্যন্ত এলাকার সকল মুক্তিযোদ্ধা নদী পার হয়ে ভীমগঞ্জের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।

পরে লোকমুখে শুনতে পারি পাক হানাদাররা সূর্যদী গ্রাম আক্রমণ করেছে। ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখা ও মানুষের আর্তচিৎকার চারিদিক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় কয়েকজন রাজাকারের সহায়তায় এই আক্রমণ হয়।

সূর্যদী গণহত্যায় প্রতিরোধ যুদ্ধ

সূর্যদী গণহত্যায় প্রতিরোধ যুদ্ধ

হানাদার বাহিনী বাজারে প্রবেশ করে গ্রামবাসীদের লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করার প্রস্তুতি নেয়। আর ৬ জন মুক্তিযোদ্ধা গ্রামকে রক্ষা করতে ধান ক্ষেতে অবস্থান নিয়ে ফায়ার শুরু করেন। তুমুল সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। ফায়ার অবস্থায় একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ধরে ফেলে এবং তাকে হত্যা করে, বাকিরা কোন মতে পালাতে সক্ষম হয়।

সে সময় মুক্তিযোদ্ধা সেহরাব আলী, আঃ খালেক, ফজলুর রহমান, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল হোসেন সহ অনেক মুক্তিযোদ্ধা সেখানে অবস্থান করছিল। প্রথমে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিহত করার চেষ্টা করলে খুনুয়া চরপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী শহীদ হন।

অন্যদিকে নকলার মনসুর বাহিনীর ৫০-৬০ মুক্তিযোদ্ধা চিথলিয়ায় অবস্থান করছিল পাকিস্তানিদের হত্যা করার জন্য এবং পাকবাহিনী যেন যোগাযোগ না করতে পারে সে জন্য টেলিফোন লাইন কেটে দেয়। তারা যখন খবর পেল সূর্যদী গ্রামে গণহত্যা চলছে, তারা দৌড়ে আসলো এবং ফায়ার শুরু করলো পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানিরা না পেরে উঠে গ্রেনেড আর মর্টার শেল মারতে শুরু করলো। মর্টার শেলের আঘাতে একজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

আশেপাশের চর এলাকার গ্রাম থেকে জড় হওয়া মুক্তিযোদ্ধারা প্রতি-আক্রমণ করতে চাইলে অনেকে নিষেধ করেন, কারণ এতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেড়ে যাবে। প্রায় দুই ঘণ্টা নির্মমতার পর হানাদার বাহিনী ট্রাকে করে শেরপুর ফিরে যায়।

সূর্যদী গণহত্যার নির্মমতা দিনগুলো

সূর্যদী গণহত্যার নির্মমতা

সূর্যদী গণহত্যায় দুই জন মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রায় ৪৯ জন নিরীহ গ্রামবাসী শহীদ হন এবং দুই শতাধিক বাড়িঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সূর্যদী বড়বাড়ি, দেওয়ানবাড়ি ও কিরসাবাড়ির প্রায় ২০০ বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

কালবৈশাখী ঝড়ের গতিতে লন্ডভন্ড করে দিছে সবকিছু। মুক্তিযোদ্ধাদের আপ্যায়নের অভিযোগে তিরছা বাড়িতে ১১ জনকে, সিরাজ উদ্দিনের বাড়িতে ৫ জন, নবীরুদ্দিনের বাড়িতে ৯ জনসহ প্রায় প্রতি বাড়িতে হত্যা করে, এমনও বহু বাড়ি আছে যেখানে জীবিতের চেয়ে মৃতের সংখ্যা বেশি।

সারা গ্রামে লাশ আর লাশ। চারদিকে শুধু কান্না আর কান্না। পাকিস্তানিরা শেরপুর চলে গেলে ধীরে ধীরে জীবিতরা বাড়িতে আসতে থাকে এবং কোনমতে লাশ মাটি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারপর শুরু হয় প্রিয়জনদের খোঁজাখুঁজি। বাড়ির আশপাশের জঙ্গলে, ধানখেতে খুঁজে মোট ৪৯ জনের লাশ পাওয়া যায়। স্বাধীনতার মাত্র ২২ দিন পূর্বে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটে।

ঐ সময়ে স্বামী-সন্তান শহীদ হওয়া তাদের মা এবং বিধবা স্ত্রীগণ এখনো জীবিত আছেন অনেকে। যেমন- হারো খাতুন, মজিরান বেওয়া, আলেছা, রশিতন নেছা, জাবেদা খাতুন, ছয়মন বেওয়া, আহেতন নেছাসহ আরও অনেকে।

সূর্যদী গণহত্যায় শহীদের তালিকা

মুক্তিযুদ্ধের কিশোর ইতিহাস বইয়ের তথ্যনুসারে সূর্যদী গ্রামে হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র ও দিন মজুরদের নির্মম হত্যাযজ্ঞ শিকার শহীদদের তালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ-

ক্রমিকশহীদের নামশহীদের বাড়ী
আক্তারুজ্জামানসূর্যদী
মোজাম্মেল হকসূর্যদী মধ্যপাড়া
জোনাব আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
ফরমাইন হোসেনসূর্যদী মধ্যপাড়া
আ. জাব্বারসূর্যদী মধ্যপাড়া
মোহাম্মদ আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
ইয়াদ আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
আলমাছ উদ্দিনসূর্যদী মধ্যপাড়া
মুন্তাজ আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
১০হাছেন আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
১১মুনছুর আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
১২আ. জাব্বার (২)সূর্যদী মধ্যপাড়া
১৩সেগা সেকসূর্যদী মধ্যপাড়া
১৪মকবুল হোসেনসূর্যদী মধ্যপাড়া
১৫হুরমুজ আলীসূর্যদী মধ্যপাড়া
১৬আ. রসিদআন্ধারিয়া
১৭আ. সামাদনিজ আন্ধারিয়া
১৮জুলহাস উদ্দিননিজ আন্ধারিয়া
১৯আমেনা খাতুননিজ আন্ধারিয়া
২০রিয়াজ উদ্দিনচক আন্ধারিয়া
২১জয়নাল আবেদীনচক আন্ধারিয়া
২২মোহসীন আলীসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৩কদর আলীসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৪সমেশ আলীসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৫শামছুল হকসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৬রিয়াজ উদ্দিনসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৭ফকির মামুদসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৮জবেদ আলীসূর্যদী দক্ষিণ পাড়া
২৯ফজর আলীসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩০নবীর উদ্দিনসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩১সাহাব উদ্দিনসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩২সাহাবাজ আলীসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩৩পচা সেকসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩৪মফিজ উদ্দিনসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩৫আবেদ আলীসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩৬ফজি সেখসূর্যদী তিরছাবাড়ি
৩৭আফছার উদ্দিনখিনুয়া সূর্যদী
৩৮আইজ উদ্দিনবানিয়াপাড়া
৩৯আ. ছাত্তারকাইদ্যা (নকলা)

স্বাধীনতার পর প্রতিবছর এদিনটি স্মরণ করা হতো ৭৫ এর আগ পর্যন্ত। খুনুয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আফসার আলীর কবরটি আমি অনেকবার দেখেছি, অযত্নে অবহেলায় পড়ে ছিল। শুনেছি ডাঃ হেফজুল বারী সাহেব কবরটি পাকা করে দিয়েছেন এবং রাস্তার পাশে একটি সাইন বোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছেন।

বছর ঘুরে আবার সেদিনটি ফিরে এসেছে, আসুন আমরা সেদিনের বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী সহ সূর্যদী গণহত্যার ৪৯ জন শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

সূর্যদী গণহত্যা নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর [FAQ]

সূর্যদী গণহত্যা কবে সংঘটিত হয়েছিল?

সূর্যদী গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বর, বুধবার। স্বাধীনতার মাত্র ২২ দিন আগে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটে।

সূর্যদী গণহত্যা কোথায় হয়েছিল?

এই গণহত্যা হয়েছিল শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের সূর্যদী গ্রামে। ভীমগঞ্জ থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণে মৃগী নদীর ওপারে গ্রামটি অবস্থিত।

সূর্যদী গণহত্যায় কতজন শহীদ হয়েছিলেন?

সূর্যদী গণহত্যায় দুই জন মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রায় ৪৯ জন নিরীহ গ্রামবাসী শহীদ হন। অন্য বর্ণনায় ৪০-৫০ জনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

সূর্যদী গণহত্যা কেন হয়েছিল?

তীরছা বাড়ির মালিক মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেন, এ খবর সদর থানার পাকিস্তানি হানাদার ক্যাম্পে চলে যায়। এ খবরে ক্রুদ্ধ হয়ে অর্ধশতাধিক হানাদার ও তাদের স্থানীয় দোসর রাজাকার-আলবদররা মিলে গ্রামটি ঘেরাও করে এই হত্যাযজ্ঞ চালায়।

সূর্যদী গণহত্যায় কোন কোন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন?

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথমে প্রতিরোধ করতে গিয়ে খুনুয়া চরপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী শহীদ হন। পরে মর্টার শেলের আঘাতে নকলার মনসুর বাহিনীর আরও একজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

সূর্যদী গণহত্যার সময় গ্রামবাসীকে কীভাবে হত্যা করা হয়?

হানাদার বাহিনী বাজারে প্রবেশ করে গ্রামবাসীদের লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করার প্রস্তুতি নেয়। তিরছা বাড়িতে ১১ জন, সিরাজ উদ্দিনের বাড়িতে ৫ জন, নবীরুদ্দিনের বাড়িতে ৯ জনসহ প্রায় প্রতি বাড়িতে ঢুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

সূর্যদী গণহত্যা দিবস কবে?

২৪ নভেম্বর সূর্যদী গণহত্যা দিবস উদযাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র:

  • মুক্তিযুদ্ধের কিশোর ইতিহাস : শেরপুর জেলা, আল্ জাবির
  • মুক্তিযুদ্ধে শেরপুর, আবদুর রহমান তালুকদার
  • ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম এর সাক্ষাৎকার
  • Our Sherpur Field Research 2018-2026
  • আজ সূর্যদী ‘গণহত্যা’ দিবস, ডিবিসি নিউজ, ২৪শে নভেম্বর ২০১৯
  • শেরপুরে ঐতিহাসিক সূর্যদী গণহত্যা দিবস আজ, ঢাকাটাইমস, ২৪ নভেম্বর ২০২২

Leave a Reply

Scroll to Top