শেরপুর জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য
শেরপুর জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য বিস্তারিত পড়ুন »
শেরপুর জেলার সকল সাধারণ খবর, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দৈনন্দিন ঘটনার আপডেট। শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদীর খবর।
প্রথম প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট: ৯ আগস্ট, ২০২৬ গারো পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা শান্ত ও সবুজে ঘেরা প্রিয় শেরপুর জেলা। তুলশীমালা চালের ঘ্রাণ, নদী, পাহাড় ও পর্যটন, বাঙালী ও আদিবাসী সংস্কৃতিতে পূর্ণ অপার সম্ভাবনার শেরপুর। সীমান্ত জেলা হওয়ার কারণে নেই কোলাহল বা পরিবেশ দূষণের মতো কোন আয়োজন। এই অঞ্চলের মানুষের সরলতা মুগ্ধ করে দেশের
এক নজরে শেরপুর জেলা: ইতিহাস, পর্যটন, খাবার ও যাতায়াত বিস্তারিত পড়ুন »
শেরপুর শহরে থেকে আপনি একটা নতুন ল্যাপটপ বা স্মার্ট টিভি কিনতে চান। স্থানীয় দোকানে মডেল কম, দামও একেক দোকানে একেক রকম। তখন অনলাইনই সহজ রাস্তা মনে হয়। কিন্তু জেলা শহরে বসে অনলাইনে দামি ইলেকট্রনিক্স কেনার আগে কয়েকটা জিনিস মাথায় না রাখলে পরে ঝামেলায় পড়তে হয়। নিচে সেই জরুরি বিষয়গুলোই সহজ ভাষায় বলছি। মূল কথাটা শুরুতেই
শেরপুরে বসে ইলেকট্রনিক্স পণ্য কিনতে যা খেয়াল রাখবেন বিস্তারিত পড়ুন »
ঝগড়ার চর বাজার নামকরণের পেছনে আছে জমিদারি তোলাবাটি শোষণের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের ইতিহাস। ১৭২২ সালে চাকলা-পরগনা থেকে ব্রিটিশ জমিদারি প্রথায় প্রজা নিপীড়ন, উচ্চ রাজস্ব আদায় ও প্রতিবাদে হাটবাজার বয়কট। শেরপুর-নালিতাবাড়ি অঞ্চলে গড়ে ওঠে হাতিপাগার, রাজগঞ্জ ও ঝগড়ার চর বাজার। ‘আন্দোলন’ লোকমুখে হয় ‘ঝগড়া’। ঝগড়ার চর বাজার নামকরণ ও হাটের তোলাবাটি আন্দোলন হারুনুর রশীদ: ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলি
ঝগড়ার চর বাজার নামকরণ | হারুনুর রশীদ বিস্তারিত পড়ুন »
দিঘি: কিছু কথা দিঘি যাপিত জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দিঘিকে ঘিরে কবিতা, কিচ্ছা-গল্প কিংবা রসবোধ নেহায়েত কম নয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে। দিঘি সার্বিক অর্থে একটি মুক্ত জলাশয়। নলকূপ খননের পূর্বে দিঘি সমতল ভূমিতে শুধু এক আঁজলা জলেরই ধারক নয়, বরং সাংসারিক সকল প্রয়োজন মেটানো ছাড়াও সামাজিক ও পারিবারিক অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার অনুঘটক ছিলো। দিঘি
সুতানাল দিঘির ভূমিসুতার খোঁজে | রিয়াদ আল ফেরদৌস বিস্তারিত পড়ুন »
লেংগুরার ভূমিপুত্র কমরেড ললিত সরকার ময়মনসিংহ মহকুমার উত্তরপর্বে ৭০ মাইল দীর্ঘ বা ৭৫০ বর্গমাইল জুড়ে গণ আন্দোলনের এক টুকরো গ্রাম লেংগুরা। গারো পাহাড়ের এই উপত্যকা ও সমতলে ১৯৪৫ সাল থেকে ৪৭ সাল অবধি টঙ্ক আন্দোলন গণ বিপ্লবের রূপ নিয়েছিল। ১৯৪৯-৫০ সাল নাগাদ সশস্ত্র বিপ্লবে পরিণত হয় টঙ্ক আন্দোলন। সেই সময়কার লেংগুরার অবস্থাসম্পন্ন কৃষক পরিবারের সন্তান
গনেশ্বরীর বাঁকে লেংগুরা হাট ও ললিত সরকার প্রসঙ্গ বিস্তারিত পড়ুন »