🏠 হোম 🚌 বাস টিকিট 🛒 শপ 🎓 এডমিশন 🏞 ট্যুর
  • 🚗 গাড়ি রিজার্ভ
  • 🏨 হোটেল
  • 📲 অ্যাপ ইনস্টল করুন

    Author name: Rafiqul Islam Rafiq

    ৭১ এর গল্প

    ৭১ এর গল্প বলা

    ৭১ এর গল্প বলা প্রকৃতির যথা নিয়মে বছর ঘুরে ডিসেম্বর আসলেই স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু বলতে ইচ্ছে করে। ৭১এর দুঃসহ স্মৃতিগুলো মাথায় কিলবিল করে। তাছাড়া সেইসব সোনালী দিনগুলোর কথা আজকের প্রজন্মকে জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্বও বটে। আজকের গল্পের শুরুতেই শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে,

    ৭১ এর গল্প বলা বিস্তারিত পড়ুন »

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা

    আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা

    আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা: আমি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলছি। মুক্তিযুদ্ধই বাঙালির ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তবে এ যুদ্ধ হঠাৎ করে কারো আহ্বানে শুরু হয় নাই। এর জন্য আমাদের দীর্ঘ ২৪ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে। এ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে

    আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা বিস্তারিত পড়ুন »

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামিলীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা পেলে আমাদের মনে আশা জাগে, হয়তো ২৪ বছরের গোলামীর অবসান হতে চলেছে। ছয় দফার ভিত্তিতে দেশ চলবে, আমরা স্বায়ত্তশাসন পাবো। চারদিকে জয় জয়কার। “জয়বাংলা” ধ্বনিতে মুখরিত সারা বাংলা। কিন্তু আশাহত হতে খুব বেশি সময় নেই নি। বছরের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৭১ সালে জানুয়ারিতেই আমরা

    ঝাউগড়া গণহত্যা দিবস বিস্তারিত পড়ুন »

    সোহাগপুরের বিধবা নারীরা

    সোহাগপুর বিধবা পল্লীর বীরাঙ্গনাদের কথা

    ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে সাথেই হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালী জাতি একযোগে ঝাঁপিয়ে পরে। পাক হানাদার বাহিনী “অপারেশন সার্চ লাইট” এর মাধ্যমে বাঙালী জাতিকে নিঃশেষ করে দেয়ার জন্য পৈশাচিক গণহত্যা শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৬ এপ্রিল গুলি করতে করতে হানাদার বাহিনী শেরপুরে প্রবেশ করে। সেদিন নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে অনেক নিরিহ

    সোহাগপুর বিধবা পল্লীর বীরাঙ্গনাদের কথা বিস্তারিত পড়ুন »

    সোহাগপুরের বিধবা নারীরা

    শেরপুর সোহাগপুরে নির্যাতিতা কার্ড পাবে না এইসময়ে তা হবে না

    লেখকঃ মোঃ রাবিউল ইসলাম “এহনো বেমাহের কাড অয় নাই”- কথাটা একাত্তরে সর্বস্ব হারানো বিধবা মায়ের এক অসহায় সন্তানের কণ্ঠে শুনে শিউরে উঠলাম। একটু একটু অবিশ্বাসও করলাম। এখনো তাঁদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কার্ড পাশ হয়নি ! তবে কখন আর হবে? কেন এবং কীসের জন্য হচ্ছে না ! জানি না, তবে যাদের মহান ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন

    শেরপুর সোহাগপুরে নির্যাতিতা কার্ড পাবে না এইসময়ে তা হবে না বিস্তারিত পড়ুন »

    একুশে ফেব্রুয়ারি ও আমাদের প্রত্যাশা, ক্যাপ্টন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম

    লেখকঃ ক্যাপ্টন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম, সেনা শিক্ষা কোর। ১৯৪৮ সালে বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষার দাবিতে প্রথম যে আন্দোলন শুরু হয় তা ১৯৫২ সালে এসে মহিরুহ রূপ ধারণ করে।সরকার সে বছর ২১শে ফেব্রুয়ারিতে ছাত্র জনতার মিছিলে নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে অসংখ্য ছাত্র জনতা হত্যা করলে সারাদেশে আন্দোলন বারুদ গতিতে ছড়িয়ে পরে। অবশেষে বাধ্য হয়ে পাকিস্তান সরকার

    একুশে ফেব্রুয়ারি ও আমাদের প্রত্যাশা, ক্যাপ্টন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম বিস্তারিত পড়ুন »

    আমাদের ভাষা আন্দোলন ও শেরপুর

    ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়ে অদ্ভুত এক রাষ্ট্রের জন্ম নেয়। ১২০০ মাইল দূরে তার একটি অংশ ছিল, নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান এবং অপর অংশের নাম ছিল পশ্চিম পাকিস্তান। এ দুই অংশের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে মৌলিক পার্থক্য ছিল। বাংলা ভাষাভাষী জনসংখ্যা ছিল সংখ্যাগরিষ্ট। কিন্তু বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার ব্যাপারে রাষ্ট্রের জন্মের

    আমাদের ভাষা আন্দোলন ও শেরপুর বিস্তারিত পড়ুন »

    শেরপুরে ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান

    অঃ ক্যাপ্টন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম, সেনা শিক্ষা কোর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে পূর্ব বাংলার জনগণ ভাষার অধিকার ফিরে পেলেও তখনও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাই নাই। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করেও মাত্র দুই বছর ক্ষমতায় ছিল। তারপর নানা বাহানায় ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খান সমারিক শাসন জারি করলে বাঙালীদের মনে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। ১৯৬২

    শেরপুরে ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান বিস্তারিত পড়ুন »

    নালিতাবাড়িতে পাকবাহিনীর প্রবেশ ও লুটপাট

    ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি নরগোষ্ঠী সারাদেশের ন্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়িতে লুটপাট করে। এপ্রিল মাসের শেষদিকে পাকবাহিনী প্রথম নালিতাবাড়িতে প্রবেশ করে। তাদের আগমনের খুশি হয়ে একদল রাজাকার ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ শ্লোগানে পাকবাহিনীকে স্বাগত জানায়, সে সাথে তাদের কাছে পুরো এলাকার সার্বিক অবস্থা অবিহত করে। এরপর তারা তারাগঞ্জ বাজারে কালিমন্দিরের পাশে গৌড়কুন্ডদের দোকান পুড়িয়ে দেয় এবং ভীতির সঞ্চার করে পুরো

    নালিতাবাড়িতে পাকবাহিনীর প্রবেশ ও লুটপাট বিস্তারিত পড়ুন »