🏠 হোম 🚌 বাস টিকিট 🛒 শপ 🎓 এডমিশন 🏞 ট্যুর
  • 🚗 গাড়ি রিজার্ভ
  • 🏨 হোটেল
  • 📲 অ্যাপ ইনস্টল করুন

    Author name: মোঃ দেলোয়ার হোসেন

    আওয়ার শেরপুর এর প্রতিষ্ঠাতা ও শেরপুর জেলার ডিজিটাল উদ্যোক্তা। ২০১৮ সাল থেকে শেরপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, পর্যটন, বাস সার্ভিস, হোটেল ও স্থানীয় পণ্য নিয়ে কাজ করছি। শেরপুরের সকল সেবা ও তথ্য ডিজিটালভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য।

    নকলা উপজেলা

    এক নজরে নকলা উপজেলা

    এক নজরে নকলা উপজেলা শেরপুর জেলার দক্ষিণ পূর্বদিকে নকলা উপজেলা অবস্থিত। আগে নালিতাবাড়ি থানার সঙ্গে একত্রে ছিল। নকলায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি থানা ছিল। বৃটিশ সরকারের প্রশাসনিক প্রয়োজনে এই ফাঁড়িকে কেন্দ্র করে একটি থানায় পরিণত হয়। এই উপজেলায় অতীতে হিন্দু, মুসলিম এবং গারো উপজাতিরা বসবাস করতো। বর্তমানে হিন্দু সম্প্রদায় টুকটাক দেখা গেলো গারোর দেখা মিলছে না।

    এক নজরে নকলা উপজেলা বিস্তারিত পড়ুন »

    কমান্ডার মেজর আবু তাহেরের আহত : ঘটনা

    ১১ নং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল- কোদালকাঠি, চিলমারি, হালুয়াঘাট এবং কামালপুর থেকে শত্রু বিতারিত করা। কামালপুর হানাদার বাহিনী ২ টি কোম্পানি অবস্থান নেয় মুক্তিবাহিনীকে দমন করার জন্য। মুক্তিবাহিনীর ৩ টি কোম্পানি এবং মিত্রবাহিনীর ২ টি কোম্পানি সংঘর্ষের সিদ্ধান্ত নেয়। ক্যাপ্টেন মান্নান, লে. মিজান এবং এম. এফ. সাইদের পরিচালনায় মুক্তিবাহিনীর ৩ টি কোম্পানি ডিফেন্সে পৌঁছে যায়।

    কমান্ডার মেজর আবু তাহেরের আহত : ঘটনা বিস্তারিত পড়ুন »

    সোহাগপুরের বিধবা নারীরা

    সোহাগপুরের গণহত্যায় শহীদদের তালিকা

    মহান মুক্তিযুদ্ধে শেরপুরের সবচেয়ে বড় হত্যাকন্ড সংঘটিত হয় ১৯৭১ সনের ২৫ জুলাই, ১০ শ্রাবণ, রবিবার ভোরবেলা সোহাগপুরে। নিরীহ মানুষ আশ্রয়ের জন্য ভোগাই নদী পার হচ্ছে কেউবা সাঁতরে আবার কেউ বা গলাপানিতে হেঁটে হেঁটে, কিছু বুঝে উঠার আগেই পিছন দিক থেকে শত্রু বাহিনী ব্রাশফায়ার করে আশ্রয়কামী মানুষদের হত্যা করে। ঐ দিন প্রায় ২০০ জনের মতো ব্যক্তিকে

    সোহাগপুরের গণহত্যায় শহীদদের তালিকা বিস্তারিত পড়ুন »

    সোহাগপুরের বিধবা নারীরা

    সোহাগপুরের গণহত্যা, সোহাগপুর বিধবাপল্লী

    সোহাগপুর! শেরপুরের নালিতাবাড়ি থানাধীন একটি গ্রামের নাম। হানাদার বাহিনীর ও তাদের দোসরদের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের অন্যতম সাক্ষ্য বহন করছে এ গ্রামটি। বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের মধ্যে আলোচিত পাশাপাশি ৩ টি গ্রাম সোহাগপুর, কাঁকরকান্দি এবং বরুয়াজানি। স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন ৯ মাসে এ ৩ টি গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা যেভাবে হত্যা, লুটতরাজ, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, নারী

    সোহাগপুরের গণহত্যা, সোহাগপুর বিধবাপল্লী বিস্তারিত পড়ুন »

    রাজাকার এবং আলবদরের আত্মসমর্পণ।। সমগ্র সীমান্তে মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ।

    এক এক করে পুরো এরিয়া মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। ২০-২১ নভেম্বর ১৯৭১ মুক্তিবাহিনী আক্রমণ চালায় নালিতাবাড়ি থানার হেডকোয়ার্টারে এবং দখল করে নেয়। হেডকোয়ার্টারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ছিলো না তবে তাদের দোসরদের অবস্থান ছিল জাঁকজমকভাবে। মুক্তিবাহিনীর আক্রমণের কাছে তারা পাল্টা আক্রমণ করেও টিকতে পারেনি। পাল্টা জবাবের ফলে কিছু সংখ্যক পুলিশ, রাজাকার এবং আলবদর নিহত হয়। আর যারা জীবিত ছিলেন

    রাজাকার এবং আলবদরের আত্মসমর্পণ।। সমগ্র সীমান্তে মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ। বিস্তারিত পড়ুন »

    জগৎপুর হত্যাকান্ড

    জগৎপুর একটি সুবিধাবঞ্চিত অনুন্নত এলাকার নাম যেখানে বিদুৎ পৌঁছেনি, রাস্তার উন্নতি হয়নি, নেই তেমন শিক্ষার আলো। শেরপুর জেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর এবং ঝিনাইগাতী উপজেলা থেকে ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত জগৎপুর গ্রামটি, তৎকালীন সময়ে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম ছিলো। সারাদেশের ন্যায় শেরপুরেও শত্রুর আক্রমণ চলে অতর্কিত ভাবে। একদিন সকাল ১০ টার দিকে হানাদার বাহিনী ও

    জগৎপুর হত্যাকান্ড বিস্তারিত পড়ুন »

    নাকুগাঁ ও ডালু হত্যাকান্ড

    দেশের মাটিতে চলছে পাকবাহিনীর অত্যাচার, এ অত্যাচার থেকে নারী এবং শিশুরাও বাদ পরেনি। মানুষ অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শরনার্থী হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভরতের শরনার্থী ক্যাম্প চলে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, মধুপুর, মুক্তাগাছা, পিয়ারপুর, নান্দিনাসহ এ অঞ্চলের মানুষ গুলো নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য শেরপুরের নালিতাবাড়ির নাকুগাঁও ভোগাই নদী হয়ে ভারতের ডালুতে প্রবেশ করতো, কারণ নালিতাবাড়ি সদরে এখনো পাকবাহিনী

    নাকুগাঁ ও ডালু হত্যাকান্ড বিস্তারিত পড়ুন »

    নকলা উপজেলা

    এক নজরে নালিতাবাড়ি উপজেলার পৌরসভা ও ইউনিয়নের নাম

    এক নজরে নালিতাবাড়ি উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের নামঃ ১ টি পৌরসভা এবং ১২ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা নালিতাবাড়ি। এক নজরে ক্রমিক নং অনুসারে পৌরসভা ও ইউনিয়নের নাম সমূহঃ নালিতাবাড়ি পৌরসভা। ১। পোড়াগাঁও ২। নন্নী ৩। রাজনগর ৪। নয়াবিল ৫। রামচন্দ্রকুড়া ৬। কাকরকান্দি ৭। নালিতাবাড়ি ৮। রুপনারায়নকুড়া ৯। মরিচপূরাণ ১০। যোগানীয়া ১১।

    এক নজরে নালিতাবাড়ি উপজেলার পৌরসভা ও ইউনিয়নের নাম বিস্তারিত পড়ুন »

    শেরপুর নালিতাবাড়ি সড়কে সেতু ধ্বংস

    ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের আনাচকানাচে প্রবেশ করে ফেললো তাদের পা চা’টা গোলামদের সাহায্যে, ঠিক তখন শেরপুরও বাদ যায়নি। শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ি রাস্তায় বেশ কয়েকটি সেতু ছিলো, হানাদার বাহিনী যেন শেরপুরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হকের নেতৃত্বে একটি কোম্পানি গঠন করা হয় এবং নালিতাবাড়ি ও শেরপুরের মধ্যবর্তী

    শেরপুর নালিতাবাড়ি সড়কে সেতু ধ্বংস বিস্তারিত পড়ুন »