🏠 হোম 🚌 বাস টিকিট 🛒 শপ 🎓 এডমিশন 🏞 ট্যুর
  • 🚗 গাড়ি রিজার্ভ
  • 🏨 হোটেল
  • 📲 অ্যাপ ইনস্টল করুন

    Author name: মোঃ দেলোয়ার হোসেন

    আওয়ার শেরপুর এর প্রতিষ্ঠাতা ও শেরপুর জেলার ডিজিটাল উদ্যোক্তা। ২০১৮ সাল থেকে শেরপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, পর্যটন, বাস সার্ভিস, হোটেল ও স্থানীয় পণ্য নিয়ে কাজ করছি। শেরপুরের সকল সেবা ও তথ্য ডিজিটালভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য।

    জেলা ওয়েবসাইট আওয়ার শেরপুর অ্যাপ উদ্বোধনের সময় জেলা প্রশাসকের সাথে দেলোয়ার হোসেন

    জেলা ওয়েবসাইট কী? কনটেন্ট পরিকল্পনা ও আয়ের উপায়

    বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পর্যটনকেন্দ্র, বিখ্যাত ব্যক্তি, স্থানীয় পণ্য এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। কিন্তু এসব বিষয় সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও বিস্তারিত তথ্য কি ইন্টারনেটে সহজে পাওয়া যায়? অনেক ক্ষেত্রেই উত্তর হলো, না। একটি জেলার বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটক, শিক্ষার্থী, গবেষক, উদ্যোক্তা কিংবা প্রবাসী—সবারই কোনো না কোনো সময় নিজের জেলা বা অন্য জেলা

    জেলা ওয়েবসাইট কী? কনটেন্ট পরিকল্পনা ও আয়ের উপায় বিস্তারিত পড়ুন »

    রফিক মজিদ

    রফিক মজিদ – Rafiq Mazid

    রফিক মজিদ জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি ও সকল শিক্ষাগত সার্টিফিকেট ও ট্রেড লাইসেন্সে পুরো নাম মোঃ আব্দুর রফিক। তবে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যাঙ্গনে শুরু থেকেই রফিক মজিদ হিসেবে পরিচিত। ১৯৭০ সালের ২ এপ্রিল শেরপুর শহরের মুন্সি বাজার শহীদ বুলবুল সড়কের নিজ পৈত্রিক বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্তমান আবাস শহরের নয় আনি বাজার (কালির বাজার) মহল্লায়। ব্যক্তি জীবনে

    রফিক মজিদ – Rafiq Mazid বিস্তারিত পড়ুন »

    প্রাণের শেরপুর | শাকিল আহমেদ সৌরভ

    প্রাণের শেরপুর শাকিল আহমেদ সৌরভ শের আলীর নাম অনুসারে নামটি তোমার শেরপুর। শ্রেষ্ঠ তুমি আমার চোখে সব কিছুতেই ভরপুর। তুমি আমার জন্ম স্থান বেড়ে ওঠার ভূমি,শেরপুর তুমি মাতৃ তুল্য মায়ের মতোই তুমি। প্রতি ক্ষণে মনে পড়েতোমার রূপের কথা।তোমায় ছেড়ে দূরে আছিমনে জাগে ব্যথা। বায়ান্নটি ইউনিয়ন আরপাঁচটি উপজেলা,এই নিয়ে যে দেহ তোমাররূপের কত মেলা। গজনী অবকাশ আর আছেপানিহাতা, বারমারি মিশন।মধুটিলা সবার

    প্রাণের শেরপুর | শাকিল আহমেদ সৌরভ বিস্তারিত পড়ুন »

    শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক

    শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক

    শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক জেলা শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন অবস্থিত। শেরপুর জিকে পাইলট স্কুলের দশম শ্রেণির শহীদ ছাত্র দারোগ আলীর নামানুসারে “শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক” নামাকরণ করা হয়। পার্কে শিশুদের জন্য রয়েছে হাতির ভাস্কর্য, দোলনা ও অন্যান্য বিনোদন সামগ্রী। এছাড়াও রয়েছে একটি ক্যান্টিন । পার্কে আসা শিশু-কিশোর এবং অভিভাবকরা বিনোদনের পাশাপাশি যেন বিনা মূল্যে ইন্টারনেট

    শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক বিস্তারিত পড়ুন »

    ডিসি লেক

    শেরপুর পৌরসভার বিনোদনের স্থানগুলো

    শেরপুর পৌরসভার বিনোদনের স্থানগুলো ইট পাথরের যান্ত্রিক শহরে, মাঝে মাঝে মন বেকুল হয়ে উঠে একটু ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড়ের জন্য। প্রশান্তির ছোঁয়া পেতেই আর শহুরে জীবনের একঘেয়েমি কাটাতেই শেরপুর পৌরসভার ভিতরেই রয়েছে মন জুড়ানো- নয়ানাভিরাম বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র। ছুটির দিনে বা অবসর সময়ে একা বা পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়ানোর জন্য পৌরসভার বিনোদনের স্থানগুলো যেমন –

    শেরপুর পৌরসভার বিনোদনের স্থানগুলো বিস্তারিত পড়ুন »

    শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী

    শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী | EIIN 113835

    শেরপুরের শিক্ষার আলো জ্বালাতে ১৮৮৭ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে জমিদার রায় বাহাদুর চারু চন্দ্র চৌধুরী শেরপুরে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। যেটার বর্তমান নাম শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী। এটি দেশের ঐতিহ্যগত উচ্চবিদ্যালয়ের একটি। এটি শেরপুর পুরাত পৌর ভবন তথা চারু ভবনের পূর্ব পাশে অবস্থিত। বিপ্লবী রবি নিয়োগী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. এন. এম নূরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখরের

    শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী | EIIN 113835 বিস্তারিত পড়ুন »

    হযরত শাহ কামাল

    হযরত শাহ কামাল (রহ:)

    হযরত শাহ কামাল (রহ:) জামালপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট Mr. Donongh রোজনামচায় লেখেন যে, ৯১০ বাংলা ১৫০৩ ইংরেজি সালে শাহ কামাল মুলতান হতে বাংলায় এসে বর্তমান শেরপুরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে ব্রক্ষ্মপুত্র নদের অপরপারে দুরমুটে স্থায়ী হয়েছিলেন। তাঁর মাজার মেলান্দহ উপজেলা, জামালপুর জেলায় অবস্থিত। তৎকালীন জমিদারগণ তাকে কড়ইবাড়ী পর্যন্ত নিষ্কর ভূমি দান করেন। কথিত আছে যে, তিনি ব্রক্ষ্মপুত্রের স্রোত

    হযরত শাহ কামাল (রহ:) বিস্তারিত পড়ুন »

    অর্কিড নন্দন কানন

    অর্কিড নন্দন কানন । আইয়ুব আকন্দ বিদ্যুৎ

    অর্কিড নন্দন কানন (কবিতা) আইয়ুব আকন্দ বিদ্যুৎ এখানে অর্কিড সুশোভিত দাঁড়িয়েছে যেন মৃদুল হাওয়ারা উড়ছে দুলদুল বায়ুবনে বাহারী পুষ্প কানন থরে বিথরে সাজানো অতিশয় নীরব সুনসান প্রেম নিকুঞ্জ এক। শহুরে জীবন কর্মক্লান্ত অবসাদ ছুড়ে দেয়যখন বিষাদ জমে আকাশে ঘনীভূত মেঘ হয়তখন শহরতলীতে এসো যাই নির্মল বায়ু সেবনে মূহুর্মূহূ বিষাদের কণারাও বর্ষণে ঝরে যাবে। আমাদের শহরে অর্কিড শুষে নেয় ক্লান্তিক্লেদ

    অর্কিড নন্দন কানন । আইয়ুব আকন্দ বিদ্যুৎ বিস্তারিত পড়ুন »

    রাজিয়া সামাদ ডালিয়ার সামাজিক উন্নয়ন ও কর্মকান্ড

    সহযোগিতায়: আব্দুর রাজ্জাক (রাজন) ১৯৪৩ সালের ১ ডিসেম্বর শেরপুর শহরের খড়মপুরে খান বাহাদুর ফজলুর রহমান ও লুৎফুন্নেছার ঘরকে আলোকিত করেন রাজিয়া সামাদ ডালিয়া। তাঁর বাবা ছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার চিফ হুইপ। রাজিয়া সামাদ ডালিয়া শুধু একটি নাম নয়, আদর্শ ও অনুপ্রেরণার প্রতিচ্ছবি। তার মেধা, প্রজ্ঞা, সৃষ্টিশীলতা নিবেদন করে যাচ্ছেন একটি আলোকিত সমাজ গড়ার জন্য। তাঁর

    রাজিয়া সামাদ ডালিয়ার সামাজিক উন্নয়ন ও কর্মকান্ড বিস্তারিত পড়ুন »