Our Sherpur

মাইসাহেবা মসজিদ

মাইসাহেবা মসজিদ, একটি ইতিহাস | হারুনুর রশীদ

মাইসাহেবা মসজিদ শেরপুর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। তবে এই মসজিদের ইতিহাস নিয়ে যে ধোঁয়াশা ছিল তা দূর করেছেন অনুসন্ধানী লেখক কবি হারুনুর রশীদ। একজন নির্লোভ সাধক হজরত জরিপ শাহ (রহ)-র “গড়জরিপা”। বঙ্গরাজ্যের অন্যতম অঙ্গরাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে। সম্রাট আকবরের আমলে মুঘল সম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। তখন নামকরণ করা হয় “দশকাহনিয়া” বাজুহা। দশকাহনিয়া বাজুহার প্রায় […]

মাইসাহেবা মসজিদ, একটি ইতিহাস | হারুনুর রশীদ Read More »

মুরগী খিচুড়ি

ঈদের দাওয়াত | জাহাঙ্গীর আলম

ঈদের দাওয়াত দিলাম সখী আসবে আমার বাড়ি,আমার বাড়ি আসলে দিব তাঁতের নতুন শাড়ি। গ্রামের বাড়ি বরাটিয়া জেলা সদর শেরপুর,এই জেলাতে ঘুরলে দেখবে খুশিতে মন ভরপুর। প্রকৃতির এই লীলাভূমি গজনীর অবকাশ,লাউ চাপড়া আর মধুটিলা সবুজের আকাশ। এগুলো সব দেখতে দেখতে সময় হবে পার,এমন দৃশ্য এই জগতে পাওয়া বড্ড ভার। আমার বাড়ি আস যদি মায়ে দিব দই,আরো

ঈদের দাওয়াত | জাহাঙ্গীর আলম Read More »

শেরপুরের দর্শনীয়স্থান

শেরপুরের দর্শনীয়স্থান | নূরুল ইসলাম নাযীফ

উঁচু নিচু পাহাড়-টিলাসবুজ-শ্যামল কতো,‘গজনী‘ এবং ‘মধুটিলা‘পাবেন মনের মতো। ‘পানিহাতা‘ ‘রবার বাগান’‘রাজাপাহাড়‘ আরো,ঘুরতে এলে চোখ জুড়াবেবাদ যাবে না কারো। ‘মাইসাহেবা মসজিদ‘ পাবেনকলেজ গেটের কাছে,‘বারোদুয়ারী মসজিদ‘ সে তোগড়জরিপায় আছে। ‘জরিপশাহের মাজার‘ এবং‘জমিদারের বাড়ি‘,যতই দেখবেন আগ্রহ খুবযাবে শুধু বাড়ি। শেরপুরে ভাই ঘুরতে এলেমনটা যাবে ভরে,এমন মজার অনেক কিছুআছে সবার তরে।

শেরপুরের দর্শনীয়স্থান | নূরুল ইসলাম নাযীফ Read More »

শেরপুর জেলার নামকরণ

শেরপুর | হারুনুর রশীদ

গারোপাহাড় পাদদেশে সবুজে ভরপুরমহীয়ান শের আলী গাজী-র এই জেলা শেরপুর৷ বঙ্গ রাজ্যের একটি বাজু দশকাহনিয়া।রাজধানী তার জরিপ শাহের গড়জরিপা৷মমিন পাগলা, টিপু শাহের মানবতার সুর,কীর্তিমানদের স্মৃতি ধরে অশান্তি সব দূর৷মহীয়ান শের আলী গাজী-র এই জেলা শেরপুর৷ জালের মতো আড়াআড়ি বয়ে চলে নদী।পাহাড় বেয়ে ঝর্ণা ধেয়ে চলছে নিরবধি৷পাখির ডাকে মানুষ জাগে নিত্য যখন ভোর৷নিসর্গতায় পর্যটনে আনন্দ প্রচুর৷মহীয়ান

শেরপুর | হারুনুর রশীদ Read More »

শ্রীবরদী

শ্রীবরদী | হারুনুর রশীদ

শেরপুর জেলায় বাড়ি আমার অনেকেরই জানা।গারোপাহাড় পাদদেশে শ্রীবরদী হয় থানা।শ্রীবরদী তো শ্রী বর্ধিত রূপ-মাধুর্যে গড়া।পাহাড়-নদী-সমতলে ধন-সম্পদে ভরা। সুফি-সাধক “সহরোয়ারদী” এর নামানুসারেএই “শ্রীবরদী” নামকরণ পাই কিংবদন্তীপাড়ে।তহশিলদার শম্ভু নাথের নিজের নামে কৃত“শম্ভুগঞ্জ” নাম কিছুদিন ছিলো প্রচলিত। বকশিগঞ্জ, ইসলামপুর, শেরপুর, ঝিনাইগাতি,এই চৌহদ্দি-র থানাগুলো পারস্পরিক সাথী।উত্তরের সীমান্তে ভারত, মধ্যে রাজার পাহাড়।বালু, পাথর, কয়লা, ঝোরা, বন্য প্রাণীর বাহার। মাঠে সোনার

শ্রীবরদী | হারুনুর রশীদ Read More »

শ্রীবরদী নামকরণ

শ্রীবরদী নামকরণ | হারুনুর রশীদ

শ্রীবরদী নামকরণ, হারুনুর রশীদঃ “শ্রীবরদী” তথা “বৃহত্তর শেরপুরের” প্রসঙ্গ আসলেই প্রথম নামটি আসে “গড়জরিপা“। যতদূর জানা যায়, হজরত শাহজালাল (রহ.)-র নেতৃত্বে শ্রীহট্ট (সিলেট) রাজ্য জয় করা হয় ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে। হজরত শাহজালাল (রহ.)-র সফরসঙ্গী ছিলেন ৩৬০ জন আউলিয়া। শ্রীহট্ট রাজ্য জয়ের পর এই সফরসঙ্গীরা ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েন। অনেকেই বিভিন্ন

শ্রীবরদী নামকরণ | হারুনুর রশীদ Read More »

সব উন্নয়ন চাই

সব উন্নয়ন চাই | হারুনুর রশীদ

শোন শোন জ্ঞানী-গুণী, সর্ব সাধারণ।ঐতিহ্যময় শেরপুর জেলার কিছু বিবরণ।শের আলী গাজীর নামে নাম হইলো শেরপুর।পাহাড়, নদী, সমতলে সম্পদে ভরপুর। গারো পাহাড় পাদদেশে রূপে-গুণে ভরা।তুলশিমালা, ছানার পায়েস স্বাদে গন্ধে কড়া।এত পেয়েও মনের দুঃখে বুক করে চিন চিন।যাতায়াতের জন্য দাবি করছি রেললাইন! শিক্ষা দীক্ষায় পিছিয়ে তাই করছি অনুনয়।জনস্বার্থে তৈরি করো বিশ্ববিদ্যালয়।সুচিকিৎসার তীব্র অভাব, বাড়ছে রোগের তেজ!বিশ্বমানের হাসপাতাল

সব উন্নয়ন চাই | হারুনুর রশীদ Read More »

শেরপুর জেলার উন্নয়ন চাই

উন্নয়ন চাই | হারুনুর রশীদ

শেরপুর জুড়ে সম্পদ আছে, দুঃখের কথা ভাই,কত নেতা আইলো গেলো, উন্নয়ন তো নাই!এই শেরপুরের উন্নয়নে জোর দাবি জানাই।আমরা উন্নয়ন চাই। পাহাড়, নদী, সমতলে দৃশ্য মনোহরা।তুলশিমালা, ছানার পায়েস স্বাদে গন্ধে ভরা।যাতায়াতে অসুবিধা, রেল লাইন তো নাই।রেল লাইনের জন্য আমরা জোর দাবি জানাই।আমরা রেললাইন চাই। শিক্ষা দীক্ষায় অনুগামী এই শেরপুরের লোক।ভার্সিটি নাই, মনের দুঃখে কেঁদে ভাসাই বুক।জনস্বার্থে

উন্নয়ন চাই | হারুনুর রশীদ Read More »

শের আলী গাজীর মাজার

শেরপুরের গাজীর মাজার

হারুনুর রশীদ গারো পাহাড় পাদদেশে অবস্থিত বর্তমান শেরপুর” জেলা। এই “শেরপুর” নামকরণ হয়েছে “শের আলী গাজী”-র নাম অনুসারে। আগে এর নাম ছিলো “দশকাহনিয়া” বাজু। আয়তন ছিলো, পূর্বে বর্তমান নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে পশ্চিমে বর্তমান জামালপুরের বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, উত্তরে আসাম সীমান্ত ও দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত। রাজধানী ছিলো বর্তমান “গড়জরিপা”। মুঘল সামন্ত রাজা “লক্ষণ হাজো”কে পরাজিত ও

শেরপুরের গাজীর মাজার Read More »

Scroll to Top