Our Sherpur

Author name: Md Daloare Hossain

I'm Md Daloare Hossain is an e-commerce entrepreneur. I'm a founder and proprietor of Our Sherpur, a community startup that promotes the Sherpur district through digital content.

শহীদ নাজমুল আহসান

শেরপুর জেলার অন্যতম বীর, নালিতাবাড়ির অলিখিত বীরশ্রেষ্ঠ, অপারেশন কাটাখালীর নায়ক নাজমুল আহসানের জন্ম ১৯৪৯ সালের ২০ জানুয়ারি, নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের বরুয়াজানী গ্রামে। বাবা মরহুম সেকান্দর আলী তালুকদার ছিলেন পেশায় শিক্ষক, মা নুরজাহান বেগম তালুকদার ছিলেন গৃহিণী। বাবা মা’র ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন নাজমুল । সে জন্য তিনি পরিবার […]

শহীদ নাজমুল আহসান Read More »

শ্রীবরদী উপজেলা

একনজরে শ্রীবরদী উপজেলা

শ্রীবরদী উপজেলা প্রায় চার’শ বছর পূর্বে এ স্থানের নাম ছিল শম্ভুগঞ্জ। তিন’শ বছর আগে দিল্লি থেকে আগত জনৈক সাধক সারওয়ারদি নামানুসারে তার নাম হয় শ্রীবরদী। এ উপজেলার বেশি কিছু সংখ্যক দরবেশ আউলিয়ার শুভ আগমন হয়েছিল। হযরত শাহ কামাল, হযরত জরিনা শাহ আরো অনেকে। এক সময়ে শ্রীবরর্দী উপজেলায় গড়জরিপা পরগনার রাজধানী ছিল। হযরত জরিপ শাহ এ

একনজরে শ্রীবরদী উপজেলা Read More »

নকলা উপজেলা

একনজরে ঝিনাইগাতী উপজেলা

ঝিনাইগাতী উপজেলা শেরপুরের পাহাড়ি কন্যা গারো পাহাড়ের পাদভূমির দক্ষিণ পূর্বাংশ নিয়ে গঠিত প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের সম্বলিত ৯৫ বর্গমাইল আয়তনে ভূখণ্ডে অবস্থিত ঝিনাইগাতী উপজেলা। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত বলে শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ের প্রকোপ বেশি। এখানে আবহাওয়া চরম ভাবাপন্ন। এ উপজেলায় বসবাসকারীদের মধ্যে ৯০% মুসলমান, ৫% হিন্দু, ৫% গারো, হাজং, কোচ, কানাই ও ডালু রয়েছে।

একনজরে ঝিনাইগাতী উপজেলা Read More »

নকলা উপজেলা

এক নজরে নালিতাবাড়ি উপজেলা

নালিতাবাড়ি উপজেলা নালিতা বা নাইলতা থেকে নালিতাবাড়ি শব্দটির সৃষ্টি। এদেশের স্বর্ণসুতা পাট উৎপাদনে এ এলাকার বিশেষ গুরুত্ব ছিল। পাটের আঞ্চলিক নাম নাইল্যা/নালিয়া/নালিতা। কারো কারো মতে নালতা শব্দ থেকে এই অঞ্চলের নাম হয়েছিল “নালিতাবাড়ি”। ভোগাই, চেল্লাখালি, মালিঝির পালবাহিত মাটির স্তরে স্তরে গড়ে উঠা উর্বর জমিতে ফলে সোনার ফসল। অবিভক্ত ময়মনসিংহের “শস্য ভান্ডার” বলে খ্যাত নালিতাবাড়ি। জনসংখ্যা

এক নজরে নালিতাবাড়ি উপজেলা Read More »

নকশী যুদ্ধ

গারো পাহাড়ের পাদদেশে প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা অঞ্চলের নাম নকশী৷ এ অঞ্চলের অসংখ্য মানুষ মহান মুক্তিযোদ্ধে অবদান রাখেন। মুসলিম, গারো, খ্রিস্টান এবং নিম্ন বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়সহ সবাই যুদ্ধে অংশ নেয়। তাদের একজন ছিলেন নীরেন্দ্র মারাক ২৫ বছরের যুবক। মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য তুরা রংনাবাগ শিবিরে চলে যায়৷ তারপর তিনি “নাজমুল আহসান” কোম্পানিতে যোগ দেন। নাজমুল আহসান

নকশী যুদ্ধ Read More »

আহম্মদনগর ক্যাম্প, আহম্মদনগর হাইস্কুলে পাকিস্তানিদের শক্তশালী ক্যাম্প

আহম্মদনগর ছোট্ট একটি গ্রামের নাম, কিন্তু এ গ্রামকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হাতিপাগার, বারোমারি, নন্নী, হলদিগ্রাম, নকশী, বিওপি, তিতআনী এবং কয়রোডসহ অন্যান্য গ্রামগুলোতে অত্যাচারের জন্য শক্তিশালী সদর ঘাঁটি স্থাপন করেন আহম্মদনগর হাইস্কুলে। জেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে, ঝিনাইগাতী থেকে ৩ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং নালিতাবাড়ি থেকে ১৬ কিলোমিটার পশ্চিমে এ গ্রামের অবস্থান। ক্যাম্পের নিরাপত্তার জন্য সর্বদা

আহম্মদনগর ক্যাম্প, আহম্মদনগর হাইস্কুলে পাকিস্তানিদের শক্তশালী ক্যাম্প Read More »

নকলা উপজেলা

এক নজরে নকলা উপজেলা

এক নজরে নকলা উপজেলা শেরপুর জেলার দক্ষিণ পূর্বদিকে নকলা উপজেলা অবস্থিত। আগে নালিতাবাড়ি থানার সঙ্গে একত্রে ছিল। নকলায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি থানা ছিল। বৃটিশ সরকারের প্রশাসনিক প্রয়োজনে এই ফাঁড়িকে কেন্দ্র করে একটি থানায় পরিণত হয়। এই উপজেলায় অতীতে হিন্দু, মুসলিম এবং গারো উপজাতিরা বসবাস করতো। বর্তমানে হিন্দু সম্প্রদায় টুকটাক দেখা গেলো গারোর দেখা মিলছে না।

এক নজরে নকলা উপজেলা Read More »

কমান্ডার মেজর আবু তাহেরের আহত : ঘটনা

১১ নং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল- কোদালকাঠি, চিলমারি, হালুয়াঘাট এবং কামালপুর থেকে শত্রু বিতারিত করা। কামালপুর হানাদার বাহিনী ২ টি কোম্পানি অবস্থান নেয় মুক্তিবাহিনীকে দমন করার জন্য। মুক্তিবাহিনীর ৩ টি কোম্পানি এবং মিত্রবাহিনীর ২ টি কোম্পানি সংঘর্ষের সিদ্ধান্ত নেয়। ক্যাপ্টেন মান্নান, লে. মিজান এবং এম. এফ. সাইদের পরিচালনায় মুক্তিবাহিনীর ৩ টি কোম্পানি ডিফেন্সে পৌঁছে যায়।

কমান্ডার মেজর আবু তাহেরের আহত : ঘটনা Read More »

নকশী বিওপি যুদ্ধ

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ছোট একটি গ্রামের নাম “নকশী” গ্রামটি ঝিনাইগাতী উপজেলার অন্তর্গত। নকশী গ্রামটি সীমান্ত পারে হওয়ায় শত্রুরা সর্বদাই নজর রাখত। দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের ৩ আগস্ট, মঙ্গলবার। নকশীর বিওপিতে পাকবাহিনীর সাথে বড় রকমের সংঘর্ষ হয়৷ বহু মুক্তিযোদ্ধা শহিদ হন মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে গিয়ে, তবে শেষ পর্যন্ত ক্যাপ্টেন আমীন আহমেদ চৌধুরী আহত অবস্থায় প্রাণে

নকশী বিওপি যুদ্ধ Read More »

Scroll to Top