Our Sherpur

History & tradition

হযরত শাহ কামাল

হযরত শাহ কামাল (রহ:)

হযরত শাহ কামাল (রহ:) জামালপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট Mr. Donongh রোজনামচায় লেখেন যে, ৯১০ বাংলা ১৫০৩ ইংরেজি সালে শাহ কামাল মুলতান হতে বাংলায় এসে বর্তমান শেরপুরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে ব্রক্ষ্মপুত্র নদের অপরপারে দুরমুটে স্থায়ী হয়েছিলেন। তাঁর মাজার মেলান্দহ উপজেলা, জামালপুর জেলায় অবস্থিত। তৎকালীন জমিদারগণ তাকে কড়ইবাড়ী পর্যন্ত নিষ্কর ভূমি দান করেন। কথিত আছে যে, তিনি ব্রক্ষ্মপুত্রের স্রোত […]

হযরত শাহ কামাল (রহ:) Read More »

শ্রীবরদীর নামকরণ ও অবস্থান

শ্রীবরদীর নামকরণ

শ্রীবরদীর নামকরণ ও অবস্থান গারো পাহাড়ের পাদদেশে, নয়নাবিরাম- প্রকৃতির অপরূপ রূপের লীলাভ্রুমি, বন বনানী পাহাড়ী টিলায়- নিস্পলক নয়ন খোঁজে ফেরে- দৃষ্টি নন্দন, শ্রীবর্ধন। তৎকালীন সময়ে এই অঞ্চলের রুপের মোহে ঘুরতে আসতো দুরদুরান্তের লোক। পাহাড়ী এই ললনার পাহাড়ী বাসন্তি সাঁজে শ্রীবর্ধনের কথা বলে বেড়াতো মুখে মুখে। লোক মুখে আলোচিত শ্রীবর্ধন শব্দটি এক সময় শ্রীবরদীতে পরিনিত হয়

শ্রীবরদীর নামকরণ Read More »

নয়আনী জমিদার বাড়ি

নয়আনী জমিদার বাড়ি – শেরপুর ও কিছু স্মৃতি

নয়আনী জমিদার বাড়ি খাদ্য উদ্বৃত্তের জেলা শেরপুর। কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও শিক্ষাদীক্ষায় শেরপুর অনেক জেলা থেকে এগিয়ে। এজেলার নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য সকলের মন কাড়ে। শেরপুর পরগণার মুসলিম জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে শেরপুর নামকরণ করা হয়। এই খ্যাতিমান জমিদার দীর্ঘ ২৪ বছর তাঁর শাসনকাল পরিচালনা করেন। অতঃপর নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁর বিচারে শের আলীর জমিদারি বাতিল

নয়আনী জমিদার বাড়ি – শেরপুর ও কিছু স্মৃতি Read More »

বিপ্লবী রবি নিয়োগীর স্বাধীনতা পদক কাঁদছে

বিপ্লবী রবি নিয়োগীর স্বাধীনতা পদক কাঁদছে

বিপ্লবী রবি নিয়োগীর স্বাধীনতা পদক কাঁদছে (১৯১০-২০০২) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বন্ধুগো বড় বিষজ্বালা এই বুকে/দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি/তাই কই যাহা আসে মুখে’। ব্রিটিশ উপনীবেশ ভেঙ্গে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হয়েছে। কিন্তু যাদের আত্মত্যাগ আর অবিমিশ্র বিপ্লবী কর্তব্য পালনের মাধ্যমে এটা সম্ভব হয়েছে তাদের

বিপ্লবী রবি নিয়োগীর স্বাধীনতা পদক কাঁদছে Read More »

ঝগড়ারচরের নামকরণ ও ইতিহাস

ঝগড়ারচরের নামকরণ ও ইতিহাস

ঝগড়ারচরের নামকরণ ও ইতিহাস ঝগড়ার চর বাজার। শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার ৭ং ভেলুয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি হাট- বাজার। বারারচর মৌজার অধিনস্থ এই বাজারটির চারপাশ সংলগ্ন গ্রামগুলো হলো- উত্তর পূর্ব দিকে- তিনানী পাড়া, পূর্ব দিকে- ডাকরা পাড়া, পশ্চিম দিকে- মোদক পাড়া, পশ্চিম দক্ষিণ দিকে- ঝগড়ার চর নয়া পাড়া, দক্ষিণ দিকে- বারার চর, উত্তর দিকে- কাউনের চর

ঝগড়ারচরের নামকরণ ও ইতিহাস Read More »

শেরপুর জেলার নামকরণ

শেরপুর জেলার নামকরণ

শেরপুর জেলার নামকরণ মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৮০ সালে তাঁর অন্যতম সভাসদ টৌডর মল্লকে এই শেরপুর অঞ্চলে পাঠান। তিনি বাংলার ভূমি ও রাজ্যের বন্দোবস্ত করেন। বন্দোবস্ত অনুসারে সুবা বাংলাকে মোট ২৪টি সরকারে বিভক্ত করেন এবং করতোয়া ও ব্রহ্মপুত্রের তীরবর্তী অঞ্চলে বঙ্গকে সরকার বাজুহা নাম রাখেন। এই সরকার বাজুহাকে আবার ৩২টি মহাল বা পরগনায় বিভক্ত করেন এবং

শেরপুর জেলার নামকরণ Read More »

মোঃ সাগর আহমেদ

শেরপুর জেলার ঐতিহাসিক স্থাপনা সমূহঃ

সদর উপজেলাঃ মাইসাহেবা মসজিদ (১৮৬১), কসবার মোঘল মসজিদ, জি.কে.পি. এম ইনস্টিটিউট, বানছিয়া বিল্ডিং, তিন আনি জমিদার বাড়ি, নয়আনি জমিদার বাড়ির নাট মন্দির, পনে তিনআনি জমিদার রঙমহল, রঘুনাথ জিউর মন্দির, শুকুরের দালান, হযরত শাহ কামাল রঃ এর মাজার, বয়রা ছাওয়াল পীরের দরগা, নরসিংহ জিউর আখরা। মসজিদ-৫৩৯টি, মন্দির-২৪টি, গির্জা-১টি, মঠ-৬। নালিতাবাড়ি উপজেলাঃ সিধুলি গ্রামের চড়ুই পুতুলি পুকুর

শেরপুর জেলার ঐতিহাসিক স্থাপনা সমূহঃ Read More »

পাগলপন্থী বিদ্রোহ

পাগলপন্থী বিদ্রোহ | নালিতাবাড়ির ইতিহাস

পাগলপন্থী বিদ্রোহ নালিতাবাড়ির ইতিহাস ঘাটলে কিছু উল্লেখযোগ্য বিখ্যাত ঘটনা এবং বিদ্রোহের ইতিহাস জানা যায়। তাঁদের মধ্যে জানকুপাথর ও দোবরাজপাথর ছিলেন উনিশ শতকের তৃতীয় দশকের দুইজন বিদ্রোহী এবং শেরপুরে সংঘটিত পাগলপন্থী বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক। তাঁরা গারো-হাজংদের নেতা টিপু শাহের অনুগামী ছিলেন এবং ১৮২৭-১৮৩৩ সালে ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রজা বিদ্রোহের অন্যতম নেতা ছিলেন। শেরপুরের পশ্চিমদিকে করৈবাড়ি পাহাড়ের পাদদেশ

পাগলপন্থী বিদ্রোহ | নালিতাবাড়ির ইতিহাস Read More »

বিরহিণী দিঘী

সুতানালী দিঘী । বিরহিণী দিঘী । কমলা রাণী দিঘী

সুতানালী দিঘী । বিরহিণী দিঘী । কমলা রাণী দিঘী শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম শালমারা। উপজেলা সদর থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই গ্রামে ২৮ একর জমির উপর একটি দিঘী রয়েছে। সরকারি রেকর্ডের দিঘীর নাম বিরহিণী দিঘী আর এলাকারবাসীর মুখে সুতানালী দিঘী এবং কমলা রাণী দিঘী নামে পরিচিত। কেউ কেউ বলেন

সুতানালী দিঘী । বিরহিণী দিঘী । কমলা রাণী দিঘী Read More »

Scroll to Top