সততা এক্সপ্রেস শেরপুর – ঢাকা – শেরপুর রুটের নতুন নন-এসি বাস অপারেটর। তারা ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ দুই ইউনিট বাস দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। রোজার ঈদের ছুটি সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় সার্ভিস দেওয়ার কারণে যাত্রীদের সন্তুষ্টি ও পরিচিতি অর্জন করেছে। এছাড়াও নতুন ডিজাইনে লাক্সারি হওয়ায় মানুষের মাঝে আগ্রহের নাম হয়ে উঠেছে সততা এক্সপ্রেস নন এসি বাস। এবং নতুন মডেলের ডেকোরেশনের কারণে যাত্রীদের মাঝে ব্যাপক সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজ আমরা আলোচনা করবো সততা এক্সপ্রেস বাস যে কারণে এই অঞ্চলের সেরা বাস সার্ভিস।
শেরপুর – ঢাকা সহ অন্য যেকোন জেলার বাসের টিকিট বুকিং করা যায় আওয়ার শেরপুর ওয়েবসাইটে। বুকিং ও যেকোন তথ্যের জন্য হটলাইন 09617854560, হোয়াটসঅ্যাপ 01866065676

রুট ও ভাড়া
সততা এক্সপ্রেসের রুট ঢাকা পান্থপথ টু শেরপুর ভায়া ধানমন্ডি, সংসদ ভবন, মহাখালী, বনানী, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, টঙ্গী, গাজীপুরা-২৭, বোর্ড বাজার, চৌরাস্তা (গাজীপুর), ময়মনসিংহ, তারাকান্দা, ফুলপুর, নকলা। এই বাসের ভাড়া ৫০০ টাকা।
কাউন্টার ও ছাড়ার সময়
ঢাকার কাউন্টারঃ পান্থপথ ডলফিন কাউন্টার (01743545567)। শেরপুর কাউন্টারঃ থানা মোড় (01743546757)। ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় সকাল ৬:০৫ মিনিট ও রাত ১০:৪৫ মিনিট আর শেরপুর থেকে সকাল ৮টা ও রাত ১১:৫৫ মিনিট।
সততা এক্সপ্রেস বাস সার্ভিস সেরা হওয়ার কারণ
সততা এক্সপ্রেস খুবই অল্প সময়ে সেরা হওয়ার পথে হাঁটছে। তারা অল্প সময়ে সেরা বাস সার্ভিস হয়ে উঠার কারণগুলো নিচে তোলে ধরা হচ্ছে।
আরামদায়ক সিট ও লেগ-রেস্ট সুবিধা
প্রতিটি সিট আরামদায়ক ও লাক্সারি হওয়ার কারণে যাত্রীরা আরামের সাথে যাতায়াত করতে পারছেন। এছাড়াও ১২ মিটার চেসিসের উপর ৪০ সিটের বাস হওয়ার কারণে লেগ রেস্ট সুবিধা রয়েছে।
কাউন্টার পদ্ধতি ও রাস্তার লোক না উঠানো
এই রুটের অন্যান্য বাসগুলো বিশেষ করে ঢাকায় কোন কাউন্টার নেই তাই গাড়িগুলো সুপারভাইজার নির্ভর। ফলে সার্ভিস নিয়ে যাত্রীদের মনে কিছু প্রশ্ন আছে কিন্তু সততা উভয় দিক থেকে কাউন্টার নির্ভর হওয়ার কারণে কম ভাড়ায় রাস্তায় লোক তোলার বা সার্ভিস খারাপ করার সুযোগ নেই।
শতভাগ গেইট লক সার্ভিস
সততা শতভাগ গেইট লক সার্ভিস দিচ্ছে। তারা কাউন্টারের বাহির থেকে কোন যাত্রী উঠায় না, এমনকি গাড়িতে কোন যাত্রী না থাকলেও। তবে কোন যাত্রী যদি আগে থেকে কাউন্টারে বা অনলাইনে টিকিট কনফার্ম করে রাখেন তাহলেই উঠতে পারে। অর্থাৎ তাৎক্ষনিক রাস্তা থেকে উঠার এবং গাড়িতে পেমেন্ট করার সুযোগ নেই।
ভাড়া না বাড়ানো নীতি
ঈদের ছুটিতে যাত্রীদের প্রচুর চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাহিরে ১ টাকাও বাড়ায়নি সততা এক্সপ্রেস নন এসি বাস। ফলে শেরপুর টু ঢাকা রুটের যাত্রীদের মাঝে বেশ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে এই নতুন বাস।
শূন্য টিকিটেও যাতায়াত
সততা এক্সপ্রেস সময়মতো ছেড়ে যাওয়ার লক্ষে শূন্য টিকিটে শেরপুর টু ঢাকায় গিয়েছে ৯ তারিখ দিবাগত রাতে। তাদের যুক্তি ছিল পরের দিন ভোর ৬টায় ৪ জন যাত্রীর টিকিট কনফার্ম করা ছিল।

চেসিসের চয়েসের কারণ
সততা বাসগুলো টাটা ১৬১৮ বাস চেসিস দ্বারা নির্মিত হয়েছে। এই চেসিস ১৬ টন ক্লাসের হেভি-ডিউটি ফ্রেম হওয়ায় বাসটি রাস্তার ধাক্কা ভালোভাবে শোষণ করে। ফলে দুলুনি কমে যায় ও লম্বা ভ্রমণেও ক্লান্তি লাগে না। এছাড়াও হঠাৎ ব্রেক করলে বাস কম কাঁপে। যাত্রীরা নিরাপত্তা অনুভূতি পায়। ভালো সাসপেনশনের কারণে ভারী লোডেও ব্যালেন্স থাকে। ১২ মিটার হওয়ার কারণে সিটগুলো হয়েছে প্রশস্ত, বেশি লেগস্পেস ও ভালো লাগেজ স্পেস। এই বাসের এয়ার ব্রেক ব্যবহৃত হওয়ায় তা দ্রুত ও শক্তিশালী রূপে কাজ করে।
