Our Sherpur

শেরপুর সরকারি কলেজ

শেরপুর সরকারি কলেজ | EIIN 113915

শেরপুর সরকারি কলেজ (SHERPUR GOVT. COLLEGE) জাতীয় বিশ্বাবিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮০ সালের ১লা মার্চ সরকারি কলেজে উন্নীত হয়। বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবদুর রউফ। কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক, অনার্স, ডিগ্রি, মাস্টার্স এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স গুলো চলমান আছে। গারো পাহাড়ের পাদদেশ একটি অঞ্চলের নাম ছিল দশকাহনিয়া। পরবর্তীতে বাংলার বিখ্যাত গাজী বংশের শের […]

শেরপুর সরকারি কলেজ | EIIN 113915 Read More »

খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর

খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর

খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর শেরপুরে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর জন্য প্রতিনিয়ত প্রস্তুত খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর। শেরপুর শহরের চারটি থানার মিলন মেলা হলো এ চত্বরটি। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকেই পর্যটকরা আসুক না কেন শাপলা চত্বর তাদের কে স্বাগতম জানাবেই এটাই হলো তার ধর্ম। খোয়ারপাড় থেকে নালিতাবাড়ি, ঝিনাইগাতি, শ্রীবরদী, বকশীগঞ্জ যাওয়ার মূল পটকে গড়ে তোলা হয়েছে শাপলা চত্বরটি।

খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর Read More »

বারদুয়ারী মসজিদ

বারদুয়ারী মসজিদ

বারদুয়ারী মসজিদ বারদুয়ারী মসজিদটি শেরপুরের ঐতিহাসিক একটি নিদর্শন। ধারণা করা হয় ভারতীয় উপমহাদেশ যখন ইংরেজদের শাসনের অধীনে ছিলো, তার আগে বারদুয়ারী মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ইংরেজদের শাসনামলে এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মসজিদটি মাটির নিচে চাপা পরে যায় এবং স্থানটি জঙ্গলে রূপান্তরিত হয়। মানুষ ভয়ে জঙ্গলের দিকে আসতে সাহস পেতো না। জামালপুরের মাওলানা আব্দুল আজিজ

বারদুয়ারী মসজিদ Read More »

নকলা উপজেলা

নকলা বাইপাস ব্রীজ

ঘুরে আসুন নকলা বাইপাস থেকে ঢাকা থেকে নাকুগাঁও স্থল বন্দর পর্যন্ত সড়ক পথে তৈরি করা হয় উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেই রাস্তায় নকলা বাইপাসের নির্মাণ করা হয় কয়েকটি ব্রিজ। বাইপাসের প্রথম ব্রিজ ও তার আশেপাশের দৃশ্য গুলো নজর কাড়ে যে কোন মানবের। ব্রিজ টি দাঁড়িয়ে আছে খোলা আকাশের নিচে কৃষি ভূমির বুকে। নিচে দিয়ে বয়ে গেছে

নকলা বাইপাস ব্রীজ Read More »

শেরপুরের ইতিহাস

শেরপুরের ইতিহাস

শেরপুরের ইতিহাস এক সময় ঠাট্টা করে ময়মনসিংহ কে গারোদের দেশ বলা হতো, ঠাট্টা হলেও কথাটা একদম ভিত্তিহীন বা মিথ্যা নয়। এর পিছনে কিছুটা সত্য নিহিত আছে, এই জেলার প্রাচীন ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যায় যে ১৬ শতাব্দীতে গারো পাহাড় হতে দক্ষিণ ব্রম্মপুত্র নদ পর্যন্ত সমগ্র উত্তর অঞ্চলে গারো, হাজং, কোচ সদ্দারগণ প্রায় স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে

শেরপুরের ইতিহাস Read More »

শেরপুরের পূর্ব কথা

শেরপুরের পূর্ব কথা

শেরপুরের পূর্ব কথা অতি প্রাচীন কাল থেকে শেরপুর ও বর্তমান ময়মনসিংহ জেলাসহ দেশের প্রায় তিন-চতুর্থাংশের কোন অস্তিত্ব ছিল না। পন্ডিতগণ মনে করেন যে, তখন এই অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত ছিল। বাংলাদেশ যে সমুদ্র তলদেশে হতে উৎপত্তি সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। আধুনিক কালের ভূতত্ত্ববিদগণ এই মতের সমর্থন করেন। তারা প্রমাণ করছেন অতিপ্রাচীন কালে বাংলাদেশের কোন অস্তিত্ব

শেরপুরের পূর্ব কথা Read More »

শেরপুরের নামকরণ

শেরপুরের নামকরণ

শেরপুরের নামকরণ খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে (৬২৯-৬৪৫) চীনা পরিব্রজক হিউ-এন-সাং ভারতবর্ষের বিভিন্ন অংশে পরিভ্রমণ করেন, ভ্রমণ শেষে তিনি একটি গ্রন্থ লিখেন, তার গ্রন্থে উল্লেখ করেন তিনি পৌন্ড্র হতে একটি বিশাল নদ (ব্রম্মপুত্র) অতিক্রম করে কামরূপ রাজ্যে আগমন করেন। উল্লেখ্য কামরূপ রাজ্যে তখন কুমার ভাস্কর বর্মন রাজা দ্বারা শাসিত হতো। হিউ-এন-সাং ভ্রমণ কাহিনী পর্যালোচনা করলে দেখা যায়

শেরপুরের নামকরণ Read More »

কোচ নৃ গোষ্ঠী

কোচ নৃ গোষ্ঠী

কোচ নৃ গোষ্ঠী ২৩১ কিলোমিটারের এই ঝিনাইগাতি রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর সীমান্তে শেরপুর জেলার একটি উপজেলা। দেড়লাখ বাসিন্দা অধ্যশিত এ উপজেলায় জীবন ধারায় ছড়িয়েছে বাঙ্গালী, গারো আর কোচ নৃ গোষ্ঠীর মানুষ জন। চারটি ইউনিয়নের সমবায় করে ঝিনাইগাতিতে সালচূড়া, হালচাটি, বাকাকুড়া বানবরসহ অনেক গুলো কোচ অধ্যশিত গ্রাম আছে নলকুড়া ও কাংশাই ইউনিয়নে। কোচদের

কোচ নৃ গোষ্ঠী Read More »

গারো পাহাড়ের চিঠি-১৬

শেরপুরে বসবাস কারী জনগণ

শেরপুরে বসবাস কারী জনগণ হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং আদিবাসী লোকের বসবাস এই শেরপুর জেলায়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর অধিকাংশ হিন্দু ভারতে চলে গেছে। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় অনেক আদিবাসীও ভারতে চলে গেছে। শেরপুরের বৈচিত্র্য আদিবাসী সম্প্রদায় সাধারণত গারো, হাজং, রাজবংশী, কোচ, হাদি, বানাই, ডালু প্রভৃতি। তাদের বসতি গারো পাহাড়ে বেশি ছিল। গ্রামেও

শেরপুরে বসবাস কারী জনগণ Read More »

Scroll to Top