Our Sherpur

শেরপুর নালিতাবাড়ি সড়কে সেতু ধ্বংস

১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের আনাচকানাচে প্রবেশ করে ফেললো তাদের পা চা’টা গোলামদের সাহায্যে, ঠিক তখন শেরপুরও বাদ যায়নি। শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ি রাস্তায় বেশ কয়েকটি সেতু ছিলো, হানাদার বাহিনী যেন শেরপুরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হকের নেতৃত্বে একটি কোম্পানি গঠন করা হয় এবং নালিতাবাড়ি ও শেরপুরের মধ্যবর্তী […]

শেরপুর নালিতাবাড়ি সড়কে সেতু ধ্বংস Read More »

মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ

মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ ২৫ মার্চ কালো রাতে ঢাকায় নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটায় পাকিস্তানি নর গোষ্ঠী, তারপর ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে আক্রমন শুরু করে। তার প্রতিরোধে বাঙ্গালিরা যুদ্ধ শুরু করতে বাধ্য হয়। পাকিস্তানি বাহিনী প্রতিটি জেলা-উপজেলায় আক্রমন চালাতে শুরু করে। বাংলাদেশের ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক, নারীপুরুষ সর্বস্তরের মানুষ পাক বাহিনীর আক্রমণে না পেরে উঠে বাধ্য হয়ে শরনার্থী হিসেবে

মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ Read More »

মুক্তিযুদ্ধে নালিতাবাড়ি

মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর

মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর মাতৃভূমিকে শত্রু মুক্ত করার জন্য বাংলাদেশের সমস্ত যুদ্ধাঞ্চলকে ১১ টি সেক্টর বিভক্ত করা হয়। শেরপুর ছিল ১১ নং সেক্টরের অধীনে। এই সেক্টর গঠিত হয় কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল নিয়ে। মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের প্রথম অধিনায়ক মেজর জিয়াউর

মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর Read More »

নাকুগাঁও স্থলবন্দর

নাকুগাঁও স্থলবন্দর শেরপুর

নাকুগাঁও স্থলবন্দর শেরপুর বাংলাদেশের কয়েকটি নামকরা স্থলবন্দরের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার, নাকুগাঁও স্থলবন্দর অন্যতম। এই বন্দর দিয়ে ভারত এবং ভূটান থেকে কয়লা, পাথর আমদানির পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যসামগ্রী প্রতিনিয়ত আমদানি-রপ্তানী করা হয়ে থাকে। ২০১৫ সালের ১৮ জুলাই পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষণা দেয় তৎকালীন সরকার। এর পর থেকে পুরোদমে যাত্রা শুরু হয় নাকুগাঁও স্থলবন্দর।

নাকুগাঁও স্থলবন্দর শেরপুর Read More »

চেল্লাখালি নদী

চেল্লাখালি নদীর খুটিনাটি সকল তথ্য… চেল্লাখালি, চিল্লাখালি বা চিতল খালি নদী যা বর্তমানে চেল্লাখালি নদী নামেই সর্বাধিক পরিচিত। প্রাচীনকালে চেল্লাখালি নদীটিকে থলঙ্ক নামে ডাকা হত। কালের বিবর্তনের সাথে সাথে নদীটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থের প্রসারণ, সম্প্রসারণ এবং নামের পরিবর্তন হতে থাকে। ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার চারটি প্রধান নদীর মধ্যে এটি অন্যতম একটি নদী। চেল্লাখালি বাংলাদেশ ভারতের একটি

চেল্লাখালি নদী Read More »

আমি শেরপুর থেকে বলছি

লেখকঃ সাগর আহমেদ। আমি শেরপুর থেকে বলছি বন্ধু তুমি কোথায়? বাংলার যেখানেই থাকো আমি তোমাকেই চাই! আছে যুদ্ধ প্রস্তুত সেনা তৈরি যুদ্ধের ময়দান, কোথায় আছো এক হও ডাকে তাড়াব সব শয়তান! আজকের যুদ্ধ নয় গোলা বারুদ অস্ত্র রিভলবার, আমাদের অস্ত্র শিক্ষার আলো কলম তলোয়ার! বন্ধু তুমি শুনছো আমি শেরপুর থেকে বলছি? কেনো গায়ের তাজা রক্ত

আমি শেরপুর থেকে বলছি Read More »

ভোগাই নদী

ভোগাই নদী | Vogai River

ভোগাই নদী ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার অন্যতম প্রধান একটি নদী হলো ভোগাই নদী। নদীটির ইংরেজি নাম Vogai River. বর্তমানে নদীটিকে সবাই ভোগাই নদী বলেই ডেকে থাকে। তবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো নদীটিকে ভোগাই-কংস হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে, নদী-টির দৈর্ঘ্য ২৫ কিলোমিটার আর প্রস্থ ৫৭ মিটার। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ভোগাই-কংস নদীর

ভোগাই নদী | Vogai River Read More »

শেরপুর মধুটিলা ইকোপার্ক

মধুটিলা ইকোপার্ক শেরপুর

মধুটিলা ইকোপার্ক নালিতাবাড়ি, শেরপুর বাংলাদেশে প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠা পর্যটন স্পট গুলোর মধ্যে, গারো পাহাড়ের পাদদেশে উচু-নিচু টিলা বেষ্টিত মধুটিলা ইকোপার্ক অন্যতম। ময়মনসিংহ বিভাগের, শেরপুর জেলার, নালিতাবাড়ি উপজেলার, পোড়াগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত। শেরপুর শহর থেকে সোজা উত্তর দিকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরে এই মধুটিলাটি সবুজ গাছপালার সমারোহে ভ্রমণ পিপাসু দর্শনার্থীদের জন্য এক অপূর্ব সৌন্দর্য তৈরি করেছে।

মধুটিলা ইকোপার্ক শেরপুর Read More »

শেরপুর জেলার নদ-নদী সমূহ

জেলা শহর শেরপুরে বিভিন্ন বিখ্যাত প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থানের পাশাপাশি রয়েছে কয়েকটি বিখ্যাত কয়েকটি নদ-নদী! কিছু নদী ভারত থেকে বয়ে এসেছে, আবার এসব নদীর কিছু শাখা নদীও রয়েছে!সেগুলো হলোঃ১। ব্রহ্মপুত্রঃ হিমালয়ের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে ব্রহ্মপুত্র নদটি। এই নদটির কিছু অংশ শেরপুর-জামালপুর সীমারেখায় প্রবাহমান হয়ে ময়মনসিংহ হয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র

শেরপুর জেলার নদ-নদী সমূহ Read More »

Scroll to Top