আওয়ার শেরপুর ওয়েবসাইটটি হাটি হাটি পা পা করে ৭ বছর পূর্তি উদযাপনের সময় হয়েছে। ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর একটি মাত্র ব্লগ দিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ বর্তমানে বহুবিধ সেবায় বিস্তার লাভ করেছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেরপুর জেলার ব্র্যান্ডিং, অর্থনীতি, জীবনমানের উন্নতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে আওয়ার শেরপুর।

মূলত, ইন্টারনেটে শেরপুর সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাবই আমাদেরকে এই কাজটি শুরু করতে উৎসাহিত করেছে। তাই আমরা শেরপুরের লেখক, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিকদের সাথে নিয়ে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, পর্যটন, শিল্প-সাহিত্য, স্কুল-কলেজ, বাস, রেস্টুরেন্ট সহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং আপলোড করে চলেছি। মানুষের ভোগান্তি দূর করতে এই তথ্যভান্ডার দারুণভাবে সহায়ক হচ্ছে, ফলে আমরাও নতুন উদ্যমে কাজ করার অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।
ইতিমধ্যে শেরপুরের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আমাদের প্ল্যাটফর্মে হাজারের বেশি আর্টিকেল রয়েছে। আমরা চাই ২০২৬ সালের মধ্যে সকল হাসপাতাল, ডাক্তার, পর্যটন কেন্দ্র, স্কুল-কলেজ, গ্রাম, ইউনিয়ন, ব্যক্তি সহ বিভিন্ন খাতে অন্তত কয়েক হাজার নতুন আর্টিকেল প্রকাশ করতে।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আওয়ার শেরপুর হবে শেরপুর নিয়ে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বড় ডাটাবেজ। এই বৃহৎ লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এর পাশাপাশি, ২০২০ সাল থেকে শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী পণ্য তুলশীমাল চাল, মন্ডা, ছানার পায়েস, গুড়ের সন্দেশ ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেলিভারি করার মাধ্যমে আমরা জেলা ব্র্যান্ডিং ও অর্থনৈতিক উন্নতিতে অবদান রেখে চলেছি।
চলতি বছরের শুরুতেই অনলাইনে বাস টিকিট বুকিং সুবিধাও চালু করেছি, যেন মানুষ যেকোনো স্থান থেকে সহজে বাসের টিকিট বুকিং করতে পারে।
পরিবহণ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার স্বপ্ন আমরা দেখি, যেখানে বাস মালিকরা ডিজিটালি তাদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে এবং স্টাফরা আরও আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করবে, ইনশাআল্লাহ।
প্রযুক্তিগত উন্নতির অংশ হিসেবে, ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যেই প্লে স্টোর ও অ্যাপ স্টোরে আওয়ার শেরপুর মোবাইল অ্যাপ সহজলভ্য হবে। এছাড়াও ২০২৬ সালের মধ্যে আরও একটি নতুন সেবা যুক্ত হবে, যা বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে আওয়ার শেরপুরের সেবাকে নিয়ে যাবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যে আমরা তাদের জন্য স্পেশাল বাসের সেবা নিশ্চিত করেছি। একইসাথে, রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যেন মানুষ শেরপুরে সহজে ভ্রমণ করতে পারে, সেই দিকেও আমরা এ বছর থেকেই কাজ করতে চাই।
বিগত বছরগুলোর মতোই ভবিষ্যতেও আপনাদেরকে আমাদের সাথে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, সকলের সহযোগিতা থাকলে প্রযুক্তির মাধ্যমে সব দিক থেকে শেরপুরকে এগিয়ে নেওয়া যাবে, মানুষের জীবনমান উন্নত করা যাবে, জেলা ব্র্যান্ডিং বাড়ানো যাবে এবং তারুণ্যের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি করা যাবে, ইনশাআল্লাহ।
যারা নানাভাবে আমাদের পাশে ছিলেন, তাদের সবাইকে জানাই কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালোবাসা। আপনাদের সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।




