মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টর

3
1380
https://www.jagonews24.com/en/national/news/35245

মাতৃভূমিকে শত্রু মুক্ত করার জন্য বাংলাদেশের সমস্ত যুদ্ধাঞ্চল কে ১১ টি সেক্টর বিভক্ত করা হয়। শেরপুর ছিল ১১ নং সেক্টরের অধীনে। ১১ নং সেক্টর গঠিত হয় কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল নিয়ে। ১১ নং সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মেজর আবু তাহের (এপ্রিল থেকে নভেম্বর)। মহান মুক্তিযুদ্ধ কে আরও ফলপ্রসূ করতে সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু তাহের এ অঞ্চল কে কয়েকটি সাব সেক্টরে ভাগ করেন:
১. মানকারচর সাব-সেক্টর।
২. মহেন্দ্রগঞ্জ সাব-সেক্টর।
৩. পুরা খাসিয়া সাব-সেক্টর।
৪. ডালু সাব-সেক্টর।
৫. রংরা সাব-সেক্টর।
৬. শিববাড়ি সাব-সেক্টর।
৭. বাগমারা সাব-সেক্টর।
৮. মহেশখোলা/মহেশখালী সাব-সেক্টর।

১৫ নভেম্বর পাক বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু তাহের গুরুতর আহত হন। পরে স্কোয়াড্রন লিডার এম হামিদুল্লাহ খান (নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর) এ সেক্টরের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন মাতৃভূমি থেকে শত্রু বিতারিত করতে। তিনি বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।
বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, তিনিও ১১ নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর।

১১ নং সেক্টরের হেড কোয়াটার প্রথমে ছিল লেলডালা এবং পরে ১০ অক্টোবর ১৯৭১ সালে মহেন্দ্রগঞ্জ, আসাম, ভারত স্থানান্তর করা হয়।

তথ্য সূত্র:- উইকিপিডিয়া
আজকের বিশ্ব (সাধারণ জ্ঞান)
মুক্তিযুদ্ধে কিশোর ইতিহাস।
ইন্টারনেট, অন্যান্য।