মুক্তিযুদ্ধে জয়ী, জীবন যুদ্ধে পরাজিত মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীর পাশে দাড়াবে কে…!

0
200

রফিক মজিদ : স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ী হলেও জীবন যুদ্ধে পরাজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আশরাফ আলীর পাশে দাড়ানোর কেউ নেই। সব দরজা ঘুরে ব্যর্থ হয়ে তার সহযোদ্ধা সাবেক জেলা কমান্ডার জনাব নুরুল ইসলাম হিরু প্রধানমন্ত্রীর কাছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সহযোগিতা চাইলেন। নিম্মে তা হুবহু তুলে ধরা হলো-
বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আশরাফ আলীর বাড়ি শেরপুর জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্র নয়ানী বাজার মহল্লায়। তিনি ২০১৪ সনের এপ্রিল মাস থেকে ব্রেইন স্ট্রোক করে নিজ বাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। শেরপুরের যে ১২ জন তরুণ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রথম অস্ত্র নিয়ে তৎকালীন ইপিআর এর সুবেদার আব্দুল হাকিমের কাছে ট্টেনিং নিয়েছিলেন, তিনি তার মধ্যে অন্যতম। ছাত্রলীগের একজন বলিষ্ঠ নিবেদিতপ্রাণ সাহসী কর্মী ছিলেন তিনি। তার সংসারের ব্যয়ভার নির্বাহের কেউ নেই। মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতার সামান্য টাকায় খাওয়াপরাই চলে না। চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের কোন ব্যবস্থাই নেই। তিনি চলাফেরা করতে পারেন না, কথাও বলতে পারেন না। শেরপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধার কন্যা জনাব আনার কলি মাহবুব ২০১৯ সনের মে মাসে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীর চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন৷ এজন্য আমি এবং ওনার পরিবার মান্যবর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট কৃতজ্ঞ।
ওনার সুচিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা মানবতার মা, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট সবিনয়ে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, দীর্ঘদিন যাবত পঙ্গু হয়ে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আশরাফ আলীর চিকিৎসার দায়িত্ব দয়া করে আপনি নিলে হয়তো আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তাআালার অশেষ রহমতে তিনি সুস্থ হয়ে যাবেন৷ দয়া করে আপনি অনুগ্রহ করুন ।
শেরপুরে সম্মানিত সাংবাদিক ভাইবোনদের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, আপনারা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়, প্রিন্ট মিডিয়ায়, অনলাইন মিডিয়ায় খবরটা লাইভ দেখানোর ব্যবস্থা নিন। প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদটি পরিবেশন করুন। অনলাইনে পরিবেশন করুন। তাহলে হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসতে পারে। একজন অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধার করুণ কাহিনীটা আপনারা প্রকাশ করুন।
মান্যবর জেলা প্রশাসক মহোদয়কেও বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানাচ্ছি, দয়া করে বিষয়টি আপনিও দেখুন। সবাই বেশী বেশী করে শেয়ার করুন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।