মন্ডা যদি হয় এমন খেতে পারবো কুঁড়ি ডজন – Samia Omar Nishu

0
44

সামিয়া ওমর নিশু : ’আসসালামু আলাইকুম। “ভালো চালের, পায়েস স্বাদেররোজ খেতে চাই খাবারের সাথে”। “মন্ডা যদি হয় এমন খেতে পারবো কুঁড়ি ডজন”।
কি অবাক হলেন?
আমি আবার কবি হয়ে গেলাম নাকি?
না! না! কবি হই নি ঠিকি কিন্তু আমাদের সবার প্রিয় দেলোয়ার ভাইয়ের তুলশীমালা চাল, আর মন্ডার এক কথায় প্রেমে পড়ে গেছি। শুধু কি আমি! না আমার পরিবারের ছোট-বড় সবাই। সত্যি তাই উই পরিবার থেকে ভাইয়ার সাথে পরিচয় এবং ভাইয়ার থেকে তুলশীমালা চাল অর্ডার করা।

সামিয়া ওমর নিশু ও তার পরিবার।

এবার বলি ভাইয়ের সার্ভিসিংয়ের ব্যপারে, পণ্যের মান সম্পর্কে বুঝিয়ে বলা থেকে শুরু করে, পণ্য হাতে পাওয়া পর্যন্ত ভাইয়া আমার সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রেখেছেন। যেহেতু আমি কখনো এ চাল খাই নি বা এ সম্পর্কে জানি না তাই ভয়ে ছিলাম কেমন হবে? আলহামদুলিল্লাহ আমি প্যকেট থেকে চাল হাতে নিয়ে দেখেছি প্রতিটি দানা একেবারে স্বচ্ছ। আমার উনি (হাসবেন্ড) বল্লো তুলশীমালা চাল দিয়ে পায়েস করো দেখি কেমন লাগে। বাবা আর মেয়ের আবদার আর কি। বানিয়ে ফেললাম তুলশীমালা চাল দিয়ে পায়েস। মা শা আল্লাহ এতো সুন্দর ঘ্রাণ, নিজের ঢোল নিজে বাজাই। এতো স্বাদ হয়েছে যে নিজেই অল্প পেয়েছি ভাগে। বাসার সবাই পছন্দ করেছে। তারপর দিন আমার ছেলে মুসা (১) ওর জন্য এ চাল দিয়ে খিচুড়ি রান্না করেছি, সেটাও পারফেক্ট ছিল। আর মন্ডা খেলাম কিভাবে? এই তো কিছু দিন আগে, দেলোয়ার ভাইয়ের কাস্টমার মিটআপে যাই, সেখানেই কাস্টমার খাতির হিসেবে পেয়ে গেলাম খাবার শেষে মন্ডা। প্রথমেই যেটা ভালো লাগে মন্ডার নামটি (অনুরাধা) কি সুন্দর নাম তাই না। প্রতিটি মন্ডা আলাদা আলাদা প্যকেজিং করা। আর স্বাদ অন্য মিস্টির থেকে একেবারেই আলাদা। কিন্তু একটা কথা না বললেই না তা হলো এই মন্ডা যে কোন বয়সের মানুষ তৃপ্তি করে খেতে পারবে। মন্ডাতে মিস্টির পরিমাণ বেশীও না কমও না। ইন শা আল্লাহ ভাইয়ার থেকে পরবর্তীতে তুলশীমালা চাল এবং অনুরাধা মন্ডার রিপিট কাস্টমার হবো। দেলোয়ার ভাই এবং তার উদ্যোগের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো।’

সূত্র : ফেসবুক