আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ

1
444

মলামারী, কাকিলাকুড়া। বর্তমানে ঢাকার উত্তরায়। চিকিৎসক ও বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযুদ্ধা। জন্ম ১৯৪৭। বেসরকারি একটি মেডিকেল কলেজে অধ্যাপনা করেন। তাঁর বাবার নাম মফিজল হক। মায়ের নাম রোকেয়া হক। স্ত্রী ডা. কামরুন্নেসা। তাঁদের দুই মেয়ে এক ছেলে।
আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি স্থানীয় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দেন। পরে তাঁদের সঙ্গে ভারতের ঢালুতে আশ্রয় নেন। এখানে তাঁরা নিজেদের চেষ্টায় একটা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলেন। জুন মাসের পর তাঁদের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। আগস্ট মাসে তাঁকে ১১ নম্বর সেক্টরের ঢালু সাব-সেক্টরের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই সাব-সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল হালুয়াঘাট, ঢালু, ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এসব এলাকায় আগস্ট মাস থেকে অনেক যুদ্ধ হয়। কয়েকটিতে তিনি সরাসরি অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ভূমিকা প্রদর্শনের জন্য আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ বীর প্রতীক খেতাব পেয়েছেন। ১৯৭২ সনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। মেডিক্যাল কন্সালটেনট হিসেবে ৪ বছর ইরাকে ছিলেন। তিনি বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন এবং ১৯৯১ সনে তিনি শেরপুরে-৩ আসনে বাকশালের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন।

তথ্যঃ শ্রীবরদীর মুখশ্রী